রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
সাজেকে আবারও অবরোধ ঘোষণালংমার্চে সীমিত অংশগ্রহণ: জোটে থেকেও এনসিপির নিজের রাজনীতিতে জোরকল্যাণপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মশাল মিছিলসন্ধ্যার পর অকারণে বাইরে ঘুরলে শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তারের হুঁশিয়ারি ডিআইজিরতফসিলের আগেই নেহালপুরে ভোটের হাওয়া: পাড়া-মহল্লা ছাপিয়ে ফেসবুকে সরব সম্ভাব্য প্রার্থীরাসাত দফা মেনে নিলে, এক দফার প্রয়োজন হবে না: সমাপনী বক্তব্যে জামায়াত আমিরযশোরে অস্ট্রেলীয় নাগরিকের ব্যাগ ছিনতাইচেষ্টার অভিযোগে যুবক আটকনেহালপুর ইউপি নির্বাচন: তফসিলের আগেই মাঠ ও ফেসবুকে সরব প্রার্থীরারেস্টুরেন্টে তাহসিফ-দীপের সঙ্গে থাকা সেই নারী কে, কী ঘটেছিল টঙ্গীর বস্তিতেপল্টনে সাবেক অতিরিক্ত আইজিপির গাড়ির ধাক্কায় রিকশাচালক আহত
বিজ্ঞাপন

ইসলামী ব্যাংকের এক শাখা থেকেই ৬৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ১৫ জনের নামে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩০ পিএম
ইসলামী ব্যাংকের এক শাখা থেকেই ৬৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ১৫ জনের নামে মামলা

দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের ২৪ জানুয়ারি ইসলামী ব্যাংকের চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট শাখায় আরামিট সিমেন্টের নামে একটি চলতি হিসাব খোলা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০১৭ সালের ১৫ মে হিসাবটি জুবলী রোড শাখায় স্থানান্তর করা হয়। ওই বছরের ১৫ অক্টোবর আরামিট সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুকমীলা জামান ৫০০ কোটি টাকা কার্যকরী মূলধন ঋণের জন্য ব্যাংকে আবেদন করেন।

২০১৭ সালের ৮ নভেম্বর ব্যাংকের ক্রেডিট কমিটির ৫১তম সভায় ৩৫০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। পরে ব্যাংকের নির্বাহী কমিটি তা অনুমোদন করে। এজাহারের তথ্য অনুযায়ী, পরবর্তী সময়ে ৫৪টি বাই-মুরাবাহা ডিলের মাধ্যমে মোট ২০৫ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ২৭টি ডিলের মাধ্যমে ৬৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এ মামলা করা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়েছে, আরামিট গ্রুপের এজিএম (হিসাব) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে ব্যবসায়ী ও সরবরাহকারী হিসেবে দেখিয়ে ক্লাসিক ট্রেডিং নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়। প্রতিষ্ঠানটির নামে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ, ব্যাংক হিসাব খোলা এবং ঋণ পেতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করা হয়। এসব নথিতে ক্লাসিক ট্রেডিংকে সরবরাহকারী এবং আরামিট সিমেন্টকে পণ্য গ্রহণকারী হিসেবে দেখানো হয়।

দুদকের অভিযোগ, বাস্তবে কোনো পণ্য সরবরাহ না করেই সরবরাহের ভুয়া ও মিথ্যা তথ্যসংবলিত কাগজপত্র ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়। এসব নথির ভিত্তিতে বাই-মুরাবাহা ডিল অনুমোদন করিয়ে ঋণের অর্থ উত্তোলন করা হয়। পরে ওই অর্থ আরামিট গ্রুপের কর্মচারীদের নামে থাকা বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করা হয়। এর মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিং (অর্থ পাচার) করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সংস্থাটি।

জাতীয় থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...