ব্যবসায়ীকে অপহরণ ও চাঁদাবাজি: ডিজিএফআইয়ের ২ সদস্যের বিচার হবে সেনা আইনে

চিঠিতে আরও বলা হয়, সেনা আইনে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পর এ বিষয়ে আদালতকে অবহিত করা হবে।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধি ও সেনা আইন অনুযায়ী, কর্মরত সামরিক সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হলে তদন্ত বা কোর্ট মার্শালের প্রয়োজনে সামরিক কর্তৃপক্ষ তাকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করতে পারে। এটি আইনি প্রক্রিয়ার অংশ।
তবে অভিযোগটি গুরুতর উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভুক্তভোগী যেন ন্যায়বিচার পান, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ২৫ অক্টোবর রাজধানীর শ্যামলীর মোটরসাইকেল ব্যবসায়ী মো. শরীফকে অপহরণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগে ডিজিএফআইয়ের দুই সদস্যসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ।
ব্যবসায়ী শরীফের অভিযোগ, পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে সোহেল রানা নামের এক আনসার সদস্য মোটরসাইকেল কেনার কথা বলে তাকে মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা মডেল টাউনের এক বাসায় ডেকে নেন। সেখানে পৌঁছানোর পর তাকে একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।

