খাদ্যশস্য আত্মসাতের অভিযোগে ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

একই গুদামের নথিতে থাকা আরও ৪৭১ মেট্রিক টন ধানের বাস্তব মজুত বা সংগ্রহের পক্ষে সমর্থনকারী তথ্য পাওয়া যায়নি বলে দুদকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতি মেট্রিক টন ধানের মূল্য ৩৪ হাজার টাকা হিসাবে এসব ধানের মূল্য ১ কোটি ৬০ লাখ ১৪ হাজার টাকা।
এজাহার অনুযায়ী, চাল ও ধানের মজুদসংক্রান্ত এসব অসংগতির কারণে মোট ২ কোটি ১ লাখ ৭৫ হাজার ৩৫২ টাকা মূল্যের সরকারি খাদ্যশস্য আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
অন্যদিকে, শিশু নিকেতন ব্লকের এসএফ-৩ নম্বর গুদামের পশ্চিম গেটসংলগ্ন স্থানে নথি বহির্ভূতভাবে ১১৯ মেট্রিক টন চালের মজুত পাওয়া যায়। এ চালের সংগ্রহ, ওজন, মান, মজুত ও পরিবহন সংক্রান্ত বৈধ নথি দেখাতে পারেননি গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরীফ আহমেদ। প্রতি মেট্রিক টন চালের মূল্য হিসাবে এর দাম ৬৯ লাখ ৩৯ হাজার ৯৫৯ টাকা। গত ১২ জানুয়ারি চালগুলো জব্দ করে জিম্মায় দেওয়া হয়।
দুদকের অভিযোগ, চার কর্মকর্তা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত ও সংগ্রহসংক্রান্ত রেকর্ডে অসংগতি সৃষ্টি ও ব্যবহার করে খাদ্যশস্য আত্মসাৎ করেছেন। এ অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০,৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫ (২) ধারায় মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি নথি বহির্ভূত চাল মজুতের ঘটনায় শরীফ আহমেদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১২০ (খ) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

