সন্দেহজনক পার্সেল ভুয়া পরিচয়ে আত্মসাতের চেষ্টা, গ্রেপ্তার পুলিশ কনস্টেবল

মোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, সোমবার রাতে মোটরসাইকেলে দুজন ব্যক্তি কুরিয়ারের কাউন্টারে আসেন। তাঁদের একজন পুলিশ ও অন্যজন র্যাবের সদস্য পরিচয় দিয়ে পার্সেলগুলোর ভেতরে অবৈধ মালামাল আছে বলে দাবি করেন। পরে তাঁরা পার্সেলগুলো জোর করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
মোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, ‘তাঁদের আচরণ দেখে আমাদের সন্দেহ হওয়ায় পার্সেলগুলো নিতে বাধা দিই। এ সময় তাঁরা আমাদের গ্রেপ্তারের হুমকি দিয়েছিলেন।’
কুরিয়ার ব্যবস্থাপক বলেন, গত ২৭ সেপ্টেম্বর একই কায়দায় একটি প্রতারক চক্র তাঁদের এক গ্রাহকের বুকিং দেওয়া তিনটি কার্টন জোর করে নিয়ে গিয়েছিল। মোটরসাইকেলে এসে নিজেদের পুলিশ পরিচয় দেওয়া ওই ব্যক্তিরা অস্ত্রও প্রদর্শন করেছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।
মোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, আগের ঘটনার পর থেকে সতর্ক থাকায় সোমবার রাতে আসা দুজনের সন্দেহজনক আচরণ দেখে কৌশলে একজনকে তাঁর কক্ষের ভেতরে আটকে রাখা হয়। পরে কোতোয়ালি থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ আসতে দেরি হওয়ায় ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা হয়।
কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে কৃষাণ বড়ুয়াকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে বলে জানান মোরশেদ আলম চৌধুরী। তাঁর ভাষ্য, জিজ্ঞাসাবাদে কৃষাণ বড়ুয়া কুমিল্লা পুলিশে কর্মরত থাকার কথা জানান। কৃষাণ বড়ুয়ার সঙ্গে থাকা ব্যক্তি টোটন বড়ুয়া এবং তিনি একজন সেনাসদস্য বলেও দাবি করেন মোরশেদ আলম চৌধুরী।
কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানে পার্সেল আত্মসাতের চেষ্টার খবর পেয়ে রেয়াজউদ্দিন বাজার থেকে শতাধিক ব্যবসায়ী সেখানে ভিড় করেন বলে জানান মোরশেদ আলম চৌধুরী।

