রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
সৌদিতে অগ্নিকাণ্ড: স্বপ্ন ফিরল কফিনবন্দী হয়েবরিশাল শিক্ষা বোর্ড: তিন কারণে ফল বিপর্যয়আজকের নামাজের সময়সূচি: ০১ নভেম্বর ২০২৬সাজেকে আবারও অবরোধ ঘোষণালংমার্চে সীমিত অংশগ্রহণ: জোটে থেকেও এনসিপির নিজের রাজনীতিতে জোরকল্যাণপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মশাল মিছিলসন্ধ্যার পর অকারণে বাইরে ঘুরলে শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তারের হুঁশিয়ারি ডিআইজিরতফসিলের আগেই নেহালপুরে ভোটের হাওয়া: পাড়া-মহল্লা ছাপিয়ে ফেসবুকে সরব সম্ভাব্য প্রার্থীরাসাত দফা মেনে নিলে, এক দফার প্রয়োজন হবে না: সমাপনী বক্তব্যে জামায়াত আমিরযশোরে অস্ট্রেলীয় নাগরিকের ব্যাগ ছিনতাইচেষ্টার অভিযোগে যুবক আটক
বিজ্ঞাপন

মানিক পশারীর দোয়া অনুষ্ঠানে এসেছিলেন অনেকে, তবু আতঙ্ক কাটেনি পরিবারের

নিজস্ব প্রতিবেদক২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩০ এএম
মানিক পশারীর দোয়া অনুষ্ঠানে এসেছিলেন অনেকে, তবু আতঙ্ক কাটেনি পরিবারের

মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী মামলার বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে পশারী বাড়ির মসজিদে আসরের নামাজের পর সংক্ষিপ্ত পরিসরে এ দোয়ার আয়োজন করা হয়।

জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বাধার মুখে সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে আতঙ্কে এলাকার মানুষ মানিক পশারীর দাফনে অংশ নিতে না পারলেও সোমবারের দোয়া অনুষ্ঠানে এসেছিলেন অনেকেই। তারা সমবেদনা জানিয়েছেন পশারীর স্বজনদের প্রতি।

কিন্তু ঘটনার তিন দিন পর; পরিস্থিতি এখন অনেকটা স্বাভাবিক হলেও মানিক পশারীর পরিবারের সদস্যদের আতঙ্ক কাটেনি।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে মানিক পশারীর ছোট বোন হেনা বলেন, “জামায়াত-শিবিরের লোকজন আমার ভাইয়ের দাফনের আগে মিছিল করছিল। মানিক পশারীর মরদেহ এখানে দাফন করতে দেবে না বলে তারা মিছিলে ‘মানিক পশারীর দুই গালে’ জুতা মারো তালে তালে’ বলে স্লোগান দেয়। এ সময় তারা অনেক বাজে স্লোগানও দেয়। আমার আপত্তি হলো, আমার ভাই যেহেতু মুসলিম তাকে সেই ভাবে দাফন দিত। কেন তারা মিছিল দিল? তবে দাফনের পর থেকে কোনো সমস্যা হয়নি। এরপরও আমরা ভয়ে আছি।”

মানিক পশারীর দাফনে যারা বাধা দিয়েছেন, তাদের পরিচয় এবং উদ্দেশ্য কী ছিল তা জানতে চাইলে হেনা বলেন, ‘এখন এসব আমি বলব না। ৩-৪ দিন পরে বলব।’

এ সময় তিনি অভিযোগে করেন, ৫ আগস্টের পর স্থানীয় আওয়ামী লীগের অনেকে অন্য দলের পরিচয়ে তাদের (মানিক পশারীদের) পুরোনো বাড়ি দখল করে নিয়েছেন।

দাফনে অংশ না নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে মানিক পশারীর ছোট ভাই চান মিয়ার ছেলে ইমরান বলেন, ‘দাফনের দিন দুপুরে আমি এবং আমার এক বড়ভাই রানাসহ কয়েকজন মিলে কবর খুঁড়েছিলাম। কিন্তু রাত বেশি হয়ে যাওয়ায় দাফনের সময় উপস্থিত থাকতে পারিনি। তবে আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে মসজিদে চাচার নামে দোয়া করিয়েছি।’

মোবারেক নামে স্থানীয় এক জেলে বলেন, ‘দাফনের জন্য বাঁশ ও কবরের মাটি খুঁড়ে রাখা হলেও সন্ধ্যায় কিছু লোক সেগুলো ফেলে দেয়। ঝামেলা এড়াতে অনেকে দাফনের সময় যায়নি। সঙ্গে মিথ্যা মামলারও ভয় ছিল আমাদের।’

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...