আমন আবাদে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াল চাটমোহর, বাম্পার ফলনের হাতছানি

কৃষি দপ্তর জানায়, প্রতিবছর হান্ডিয়াল, নিমাইচড়া ও ছাইকোলা ইউনিয়নের যেসব এলাকা পানিতে নিমজ্জিত থাকত, সেসব এলাকার বড় একটি অংশ এবার চাষের আওতায় এসেছে। বন্যার পানি আগেভাগে নেমে যাওয়ায় নতুন করে জমিতে আমন ধান রোপণ সম্ভব হয়েছে।
সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মাঠ ঘুরে দেখা যায়, বাতাসে দোল খাওয়া আমন ধানের শিষে সোনালি আভা ফুটতে শুরু করেছে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ধান কাটা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন কৃষকেরা। নবান্নের প্রস্তুতি হিসেবে কেউ কাস্তেতে শান দিচ্ছেন, কেউ মাথাল প্রস্তুত করছেন, আবার কেউ ধানের গোলা মেরামতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ভালো ফলনের আশায় তাঁদের মধ্যে আনন্দ দেখা গেছে।

উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের কুমারগাড়া গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, চলনবিল অধ্যুষিত খলিশাগাড়ী বিলে তিনি ১৫ বিঘা জমিতে ব্রি ধান-৮৭ ও ব্রি ধান-১০৩ জাতের আমন ধান চাষ করেছেন। বিঘাপ্রতি ২০ মণ ধান পাওয়ার আশা করছেন তিনি। তবে ভালো ফলনের পাশাপাশি ধানের ন্যায্যমূল্য পেলেই লাভবান হবেন বলে মনে করেন এই কৃষক।

