ছোট্ট ফাতেমার হার্টে ছিদ্র, অর্থাভাবে থেমে আছে চিকিৎসা

বশির উদ্দিন বলেন, ‘অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহে ফাতেমাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি করাই। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা জানান, তার হার্টের ছিদ্র বড় হয়েছে। দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি করাতে বলেন। কিন্তু আমার কাছে সেই চিকিৎসার খরচ জোগাড় করার মতো কোনো অর্থ নেই। তাই মেয়েকে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি রেখেছি।’
বশির উদ্দিন আরও বলেন, ‘আমি নিজেও হার্টের রোগী। দুইবার স্ট্রোক করেছি। দুই মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে ফাতেমা মেঝ। বড় মেয়ে স্বামীর সংসারে। ঘরে স্ত্রী, ফাতেমা আর ছোট ছেলে। রংমিস্ত্রির কাজ করলেও অসুস্থতার কারণে নিয়মিত কাজ করতে পারি না। মেয়েকে বাঁচাতে মানুষের কাছে সহযোগিতা চাইছি।’
মানিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক পার্বন চাকমা বলেন, ‘এখানে হৃদ্রোগের চিকিৎসক নেই। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ফাতেমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে রেফার করা হয়েছে। কিন্তু অর্থসংকটে অভিভাবক তাকে সেখানে নিতে পারছেন না। ডায়াগনস্টিক পরীক্ষায় তার হার্টে বড় ছিদ্র থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। আপাতত চমেক হাসপাতালের চিকিৎসাপত্র অনুযায়ী সকাল ও বিকেলে ইনজেকশন দেওয়া হচ্ছে। তাকে খুব দ্রুত জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা জরুরি।’
ফাতেমার চিকিৎসার জন্য দ্রুত আর্থিক সহযোগিতা প্রয়োজন। মেয়েকে বাঁচাতে সবার কাছে সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন বশির উদ্দিন। তাঁর নগদ: ০১৮৯৩১৩৩৯১৭ ও বিকাশ: ০১৭৭৮৬৫২৪৭২ নম্বরে পাঠানো যাবে আর্থিক সহায়তা।

