মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
তাহসিফের শেষ রাত ঘিরে নতুন রহস্যশিল্পকলায় ‘ইনভিজিবল স্টোরিজ’ নাটকের দুই প্রদর্শনীলবণাক্ত জমিতেও বেশি ফলন দেবে ব্রির নতুন ধাননদী গবেষণা ইনস্টিটিউটে ইন্টার্নশিপের সুযোগ, পাবেন ভাতাআজকের রাশিফল: অফিসে বসের চেয়ারে বসার সুপ্ত বাসনা জাগবে, চাকরি বাঁচাতে সেটি দমন করুনআশুলিয়ায় সকাল থেকেই শ্রমিক পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, জলকামান প্রস্তুতগাজীপুরে আজ ১১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, দায়িত্বে ২৫ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষতিকর প্রভাব রোধে নড়েচড়ে বসেছে বিশ্বহরমুজ প্রণালিতে একাধিক বিকট বিস্ফোরণ, ‘আত্মরক্ষামূলক’ হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রেরইউক্রেনে মানবিক সহায়তা বিতরণকেন্দ্রে রাশিয়ার হামলা, নিহত ২৬
বিজ্ঞাপন

২০ বছরের চুক্তিতেও মেলেনি সুফল, পাহাড়সম ময়লার স্তূপ

নিজস্ব প্রতিবেদক০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৭ এএম
২০ বছরের চুক্তিতেও মেলেনি সুফল, পাহাড়সম ময়লার স্তূপ

যশোর শহরতলির হামিদপুরে ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দেশের প্রথম বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্টটি চালুর আট বছর পার হলেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সুফল। ২০১৮ সালে নির্মিত এই প্ল্যান্টে বাসাবাড়ির বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে জৈব সার ও বিদ্যুৎ উৎপাদনী বায়োগ্যাস তৈরির পরিকল্পনা থাকলেও তা কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে। পরিচ্ছন্ন শহরের পরিবর্তে পরিকল্পনা ও তদারকির অভাবে প্ল্যান্ট প্রাঙ্গণে এখন কেবলই পাহাড়সম ময়লা-আবর্জনার স্তূপ, যা মারাত্মক পরিবেশদূষণের ঝুঁকি তৈরি করছে।

পৌরসভার বর্জ্য অপসারণ ও ব্যবস্থাপনায় সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ না থাকায় ২০২১ সালে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ‘দ্য স্কেট লিমিটেড’-এর সঙ্গে ২০ বছরের জন্য চুক্তি করে পৌরসভা। তবে সেই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতেও নাগরিক ভোগান্তি কমেনি।

স্থানীয়রা জানান, বর্জ্য অপসারণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় কার্যকর কোনো পরিকল্পনা না থাকায় দিন দিন সাধারণ নাগরিকদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করছে। প্ল্যান্টের ভেতরের খোলা প্রাঙ্গণে জমে উঠেছে পাহাড়সম ময়লা-আবর্জনা। চুক্তি অনুযায়ী, বাড়ি বাড়ি গিয়ে বর্জ্য সংগ্রহ ও তা সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাতকরণের কার্যক্রম পরিচালনা না করায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্টের মূল উদ্দেশ্যই সম্পূর্ণ ব্যাহত হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশদূষণের ঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে পৌরসভার বাসিন্দাদের জন্য পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য শহর নিশ্চিত করার সরকারি উদ্যোগও প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

ছবি: এশিয়া পোস্ট
ছবি: এশিয়া পোস্ট

যশোর পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী কামাল হোসেন বলেন, পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে ২০১৮ সালে প্ল্যান্টটি স্থাপন করা হয়। পরিকল্পনা ছিল বাসাবাড়ির পচনশীল বর্জ্যকে কাজে লাগিয়ে জৈব সার ও বায়োগ্যাস উৎপাদন করা হবে। সেই বায়োগ্যাস দিয়ে প্ল্যান্টের ভেতরের বিদ্যুতের চাহিদাও পূরণের কথা থাকলেও বাস্তবায়ন হয়নি। এই অচলাবস্থা কাটাতে ২০২১ সালে ‘দ্য স্কেট লিমিটেড’ নামের একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানকে ২০ বছরের জন্য প্ল্যান্টটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করেও তাদের কাছ থেকে কোনো প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...