বিশ্বকাপের সময় ইনজেকশন নিয়ে খেলেছিলাম, দাবি আর্জেন্টিনার অধিনায়কের

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের সময়ের ভয়াবহ ঘটনা সম্পর্কে বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন রোমেরো। আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার বলেন, ‘হাঁটুতে চোট পাওয়ার পর কাঁদছিলাম। তখন মাথায় প্রথম যে চিন্তাটি এসেছিল, তা হলো—আমার বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেল। চোট অনেক বেশি গুরুতর মনে হয়েছিল। দুই দিন পর স্ক্যান করানোর পর জানতে পারলাম, হাঁটুর মিডিয়াল কোল্যাটেরাল লিগামেন্টে (এমসিএল) চোট লেগেছে। সবকিছু বিবেচনায় তখন মনে হয়েছিল, হয়তো শেষ ষোলো কিংবা কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত খেলতে পারব।’
শুধু রোমেরো একাই নন, তাঁর সতীর্থরাও বিশ্বকাপের সময় চোটে পড়েছিলেন। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে ২৮ বছর বয়সী ডিফেন্ডার বলেন, ‘টুর্নামেন্ট চলাকালে আমাদের অনেকেই চোটে পড়েছিল। লেয়া (পারেদেসের) পাঁজরের হাড় ভেঙে গিয়েছিল। অথচ এ নিয়ে কেউ কথা বলেন না। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের পর টেন্ডনের চোটের কারণে অনুশীলন করতে পারিনি। লিসান্দ্রো (মার্তিনেজের) অবস্থাও একই ছিল। মোলি (নাহুয়েল মলিনা) চোটে পড়েছিল। তালিয়াফিকোও পুরোপুরি ফিট ছিল না। আর দিবুর (এমিলিয়ানো মার্তিনেজের) আঙুল ভাঙা ছিল। তারপরও নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে লড়েছি।’

