বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
হামের টিকাদান নিয়ে অবহেলা, দায়ীদের জবাব দিতে হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীজাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা রোনালদোর১০ নভেম্বর তুরষ্কে যাবেন প্রধানমন্ত্রী: জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রীএকের পর এক বোমা হামলার হুমকি, ইউরোপজুড়ে বিমান চলাচলে বিপর্যয়ঋণ নিতে দিতে হবে অর্থপাচার ও জালিয়াতি না করার অঙ্গীকারনামাবাড়ির ফটকে কাফনের কাপড় ও গলাকাটা মুরগি, এলাকায় আতঙ্কএমপিভুক্ত হলেন ৩৭৬ শিক্ষক-কর্মচারীসেন্টমার্টিন ভ্রমণে যাবেন, জেনে নিন যাতায়াত ও রিসোর্ট ভাড়াসহ প্রয়োজনীয় তথ্যবন্ধের নোটিশেও চলছে সিসা কারখানা, বিষাক্ত ধোঁয়ায় বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকিপ্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে স্বামীর পাতা ফাঁদে আটক প্রেমিক
বিজ্ঞাপন

সাংবাদিককে খামচি দেওয়ার অভিযোগ পরীমনির বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৫ পিএম
সাংবাদিককে খামচি দেওয়ার অভিযোগ পরীমনির বিরুদ্ধে

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির এক দিন পর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। জামিন পেয়ে আদালত থেকে বের হওয়ার সময় তাকে ঘিরে থাকা ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মী ও গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এসময় এক সাংবাদিককে খামচি দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পাওয়ার পর আদালত চত্বর ত্যাগ করার সময় তাকে ঘিরে থাকা নিরাপত্তাকর্মীদের ধাক্কাধাক্কি ও মারধরের ঘটনায় আহত হন বিচারপ্রার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীরা। এক বিচারপ্রার্থীর মাথা ফেটে যায়। আহত হন একাধিক সাংবাদিক।

এ ঘটনায় অন্য গণমাধ্যমকর্মীরাও নিরাপত্তাকর্মীদের বাজে আচরণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সমকালের প্রতিবেদক রবিউল হোসেন অভিযোগ করেছেন, পরীমনি তার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়েছেন। অন্যদিকে আগামীর সময়ের প্রতিবেদক সিয়াম হোসেন অভিযোগ করেছেন, পরীমনি তার হাতে খামচি দিয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকদের অভিযোগ, পরীমনির সঙ্গে থাকা অন্তত ১০ জন ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মী তার গাড়ির আশপাশে থাকা আইনজীবী, সাংবাদিক ও বিচারপ্রার্থীদের সরিয়ে দিতে গিয়ে ধাক্কাধাক্কি করেন। একপর্যায়ে কয়েকজনকে মারধরও করা হয়। এতে এক বিচারপ্রার্থীর মাথা ফেটে যায়।

আহত বিচারপ্রার্থীকে মাথায় ব্যান্ডেজ বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়। তার সঙ্গে থাকা বড় ভাই মাথায় ব্যান্ডেজ পরিয়ে দিচ্ছিলেন। তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগে চিকিৎসা করিয়ে পরে জানাব।

ঘটনার পর ক্ষুব্ধ সাংবাদিকরা কোর্ট পুলিশের কাছে অভিযোগ জানালেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি বলে অভিযোগ করেন গণমাধ্যমকর্মীরা। ঘটনাস্থলে ঢাকা জেলার কোর্ট পরিদর্শক কামাল উদ্দীনসহ কোর্ট পুলিশের একাধিক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

গণমাধ্যমকর্মীদের অভিযোগ, একজন আসামি আদালত প্রাঙ্গণে ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মী নিয়ে এসে বিচারপ্রার্থী ও সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত ও আহত করার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পুলিশের উপস্থিতিতে এমন ঘটনা ঘটলেও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন আইনজীবী ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মীদের নিয়ে আদালতে প্রবেশের বিষয়ে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন জানান, আদালতে প্রবেশের পর নিরাপত্তার দায়িত্ব ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের। তবে ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মীদের আদালতে প্রবেশের সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...