রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
সিআইডির সাবেক প্রধানের গাড়ির ধাক্কায় রিকশাচালক গুরুতর আহতকেশবপুরে ধানখেতের আইলের পাশের ড্রেনে দুই নারী-পুরুষের মরদেহচীন বিতর্কে মরিনহোর সমর্থন পেলেন এমবাপ্পেস্পেনে লুটপাটের আশঙ্কায় শপিং মল-দোকানের কাচ ঢেকে দিলেন ব্যবসায়ীরালংমার্চ থেকে ফেরা বাসচাপায় পথচারী নিহত, খাদে পড়ে আহত অর্ধশতইতিহাদে ব্রাইটনের ইতিহাস, টানা দ্বিতীয় হার সিটিরদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসমাজের অবদান অনস্বীকার্য: প্রধানমন্ত্রীবনানীতে ক্লাব নটরডেমিয়ান্সের বিশেষ স্বাস্থ্য সেমিনারদাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরব না: জামায়াত আমিরজামায়াতের লংমার্চ থেকে ফেরার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, নিহত ১
বিজ্ঞাপন

শহীদ পরিবারগুলোকে সঙ্গে নিয়ে ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৫ পিএম
শহীদ পরিবারগুলোকে সঙ্গে নিয়ে ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে প্রাণ হারানো বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে নির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শহীদ পরিবারের সদস্যদের পাশে নিয়েই তিনি স্মৃতিস্তম্ভের পাশাপাশি নতুন রূপে সাজানো পুরো ওসমানী উদ্যানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ আবু সাঈদের বাবা মো. মকবুল হোসেন, শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের বাবা মোস্তাফিজুর রহমান, শহীদ শাহারিয়ার খাঁন আনাসের মা সানজিদা খান দীপ্তি এবং শহীদ ওয়াসিম আকরামের বাবা মোহাম্মদ শফিউল আলমকে সঙ্গে নিয়ে তিনি এই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর স্মৃতিস্তম্ভ চত্বরে একটি গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনের পর আধুনিকায়ন করা পুরো ওসমানী উদ্যানের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন সরকারপ্রধান। এ সময় তিনি উদ্যানের পাশে তৈরি করা গ্রন্থাগারটিও পরিদর্শন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

৯০ ফুট উঁচু স্তম্ভে ৮৩৪ শহীদের নাম

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহীদদের স্মৃতি চিরভাস্বর করে রাখতে প্রায় ১ একর জমিতে ৯০ ফুট উঁচু এই স্মৃতিস্তম্ভ গড়ে তোলা হয়েছে। আধুনিক লেজার কাটিং প্রযুক্তির মাধ্যমে স্তম্ভটির গায়ে খোদাই করে তুলে ধরা হয়েছে ৮৩৪ জন শহীদের নাম। এছাড়া স্তম্ভের সম্মুখভাগে স্থাপন করা হয়েছে ২০টি প্রতীকী সমাধিফলক।

স্মৃতিস্তম্ভটির নান্দনিকতা বাড়াতে বাইরের অংশে রয়েছে ১৬৩ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে ৪ ফুট উঁচু রিলিফ ভাস্কর্য। একইভাবে এর ভেতরের অংশে নির্মাণ করা হয়েছে ১৭১ ফুট দীর্ঘ এবং সাড়ে ৭ ফুট উচ্চতার আরেকটি দৃষ্টিনন্দন রিলিফ ভাস্কর্য।

জাতীয় থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...