রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
পল্টনে সাবেক অতিরিক্ত আইজিপির গাড়ির ধাক্কায় রিকশাচালক আহতসিআইডির সাবেক প্রধানের গাড়ির ধাক্কায় রিকশাচালক গুরুতর আহতকেশবপুরে ধানখেতের আইলের পাশের ড্রেনে দুই নারী-পুরুষের মরদেহচীন বিতর্কে মরিনহোর সমর্থন পেলেন এমবাপ্পেস্পেনে লুটপাটের আশঙ্কায় শপিং মল-দোকানের কাচ ঢেকে দিলেন ব্যবসায়ীরালংমার্চ থেকে ফেরা বাসচাপায় পথচারী নিহত, খাদে পড়ে আহত অর্ধশতইতিহাদে ব্রাইটনের ইতিহাস, টানা দ্বিতীয় হার সিটিরদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসমাজের অবদান অনস্বীকার্য: প্রধানমন্ত্রীবনানীতে ক্লাব নটরডেমিয়ান্সের বিশেষ স্বাস্থ্য সেমিনারদাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরব না: জামায়াত আমির
বিজ্ঞাপন

সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ক্রসফায়ারেও রাজি পুলিশ: আইজিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০০ পিএম
সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ক্রসফায়ারেও রাজি পুলিশ: আইজিপি

আইজিপি বলেন, কোনো কারণে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান ব্যর্থ হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন গ্রাহকেরা। তাই আর্থিক খাতের তদারকি ও নজরদারির দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

ব্যাংকিং খাতে অনিয়মের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, উচ্চ মুনাফার প্রলোভনে গ্রাহকদের অর্থ নেওয়া হলে এবং পরে ব্যাংক সংকটে পড়লে তার দায় গ্রাহকদের ওপর বর্তায়। নিজেরও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে অর্থ জমা রাখার অভিজ্ঞতা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইসলামি ব্যাংকিংয়ের নামে উচ্চ মুনাফার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিপুল অর্থ সংগ্রহের পর ব্যাংকটি সংকটে পড়েছে।

ব্যাংকিং খাতে নৈতিকতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও যথাযথ তদারকির ওপর গুরুত্ব দেন আইজিপি। তিনি বলেন, শুধু নিয়মকানুন তৈরি করলেই হবে না; সেগুলোর কার্যকর ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। ব্যাংক ও গ্রাহক—উভয় পক্ষেরই নৈতিকতার জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করা জরুরি।

আইজিপি আরও বলেন, ইসলামি ব্যাংকিংয়ের মূলনীতি বুঝতে হবে। পাশাপাশি ঝুঁকি ভাগাভাগি, বিনিয়োগের সম্ভাব্যতা যাচাই এবং গ্রাহকের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

আইজিপি বলেন, দেশে ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম ও ঋণখেলাপির কারণে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সংকটে পড়েছে। এর প্রভাব ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মসংস্থানেও পড়ছে। তাই বিনিয়োগের আগে ব্যয়-সুবিধা বিশ্লেষণ এবং ভবিষ্যৎ ঝুঁকি বিবেচনা করা প্রয়োজন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সবার সহযোগিতা চান আইজিপি। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্পকারখানা ও শ্রমিকদের বিভিন্ন সংকটের সময় পুলিশকে দায়িত্ব পালন করতে হয়। এসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন।

আইজিপি বলেন, পুলিশকে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে যেমন আইন ও সংবিধান মেনে চলতে হবে, তেমনি নাগরিকদেরও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। স্বাধীনতার অর্থ যা ইচ্ছা তা করার অধিকার নয়; সমাজে বসবাস করতে হলে আইন ও নৈতিকতা মেনে চলতে হবে।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো না থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়। তাই শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গঠনে পুলিশসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে আইজিপি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অনুমান করা নয়; বরং আইন ও সংবিধান অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করা। পুলিশের কাজের মূল্যায়ন করতে হলে প্রকৃত ঘটনা বিবেচনায় নিতে হবে এবং বাহিনীর সদস্যদের অপরাধের ক্ষেত্রে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

জাতীয় থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...