বোয়িং–এয়ারবাসের উড়োজাহাজ কেনার আগে সম্ভাব্যতা যাচাই হয়েছে কি না—সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জন্য বোয়িং থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছে দুই ধাপে। গত ৩০ এপ্রিল ১৪টি এবং ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার সম্পূরক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ ছাড়া গত ৭ অক্টোবর এয়ারবাস থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করা হয়। দুই প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩৫টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছে।
সূত্রে জানায়, বৈঠকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। এ নিয়ে এক সংসদ সদস্য বলেন, টার্মিনাল নির্মাণে প্রকৃত ব্যয় কত হয়েছে এবং অতিরিক্ত ব্যয়ের ক্ষেত্রে কোনো অর্থের অপব্যবহার হয়েছে কি না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর টার্মিনাল চালুর যে সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা ঠিক থাকবে কি না, সে বিষয়েও প্রশ্ন করা হয়েছে। অতীতের কেনাকাটা ও তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠনের দাবিও জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন কামরুল হাসান। তবে বৈঠকে এ বিষয়ে কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি।
বৈঠক সংশ্লিষ্ট সূত্রটি আরও জানায়, বৈঠকে বিমানবন্দরের কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং কেনাকাটার বিষয়েও আলোচনা হয়। এ বিষয়ে গত মার্চ পর্যন্ত বিমানবন্দরের কার্যক্রমের কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে এবং কী কী কেনাকাটা করা হয়েছে, তার বিস্তারিত প্রতিবেদন পরবর্তী সময়ে কমিটির কাছে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়।

