সুরা ইয়াসিন সম্পর্কে যা জানা জরুরি

সুরা ইয়াসিনের বিশেষ ৫ ফজিলত
হাদিস ও সালফে সালেহিনদের বর্ণনা অনুযায়ী সুরা ইয়াসিনের মাহাত্ম্য অপরিসীম। নিচে এর প্রধান কিছু ফজিলত তুলে ধরা হলো:
- ১. কোরআনের হৃৎপিণ্ড: রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘সবকিছুরই একটি হৃদয় থাকে, আর কোরআনের হৃদয় হলো সুরা ইয়াসিন।’ (জামে তিরমিজি: ২৮৮৭)। যেমন শরীরের সকল কাজ হৃদ্যন্ত্রের ওপর নির্ভর করে, তেমনি কোরআনের মূল নির্যাস এই সুরায় বিদ্যমান।
- ২. দশবার কোরআন খতমের সওয়াব: হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি একবার সুরা ইয়াসিন পাঠ করবে, আল্লাহ তার আমলনামায় দশবার পূর্ণ কোরআন পড়ার নেকি দান করবেন। (জামে তিরমিজি: ২৮৮৭)
- ৩. গুনাহ মাফের মাধ্যম: হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য রাতে সুরা ইয়াসিন পাঠ করবে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেবেন।’
- ৪. মৃত্যুর যন্ত্রণা লাঘব: মুমূর্ষু ব্যক্তির শিয়রে সুরা ইয়াসিন পাঠ করা মুস্তাহাব। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের মুমূর্ষু ব্যক্তিদের নিকট সুরা ইয়াসিন পাঠ করো।’ (সুনানে আবু দাউদ। এতে মৃত্যু যন্ত্রণা সহজ হয় এবং রুহ বের হওয়ার সময় শান্তি অর্জিত হয়। (তাফসিরে মাজহারি)
- ৫. মনের আশা ও হাজত পূরণ: হজরত আতা বিন আবি রাবাহ (রা.) বর্ণিত হাদিসে আছে, ‘যে ব্যক্তি দিনের শুরুতে সুরা ইয়াসিন পাঠ করবে, তার সব হাজত (প্রয়োজন) পূর্ণ করা হবে।’ (সুনানে দারেমি: ৩৪৬১)
ধর্ম থেকে আরও পড়ুন

