চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস, তদন্তে কমিটি

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দফায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠার পর নতুন করে প্রশ্নপত্র তৈরি করা হয়। পরে সেটি ফটোকপি করার জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থিত জনি ফটোস্ট্যাটে পাঠানো হলে দ্বিতীয় দফায়ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। তবে এ ঘটনায় কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার খবর পেয়ে সহকারী কমিশনার মির্জা শহিদুল ইসলাম জনি ফটোস্ট্যাটে অভিযান চালান। পরে বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার। এ সময় তিনি পরীক্ষা পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্তদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং প্রধান শিক্ষকের তদারকির ঘাটতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেন। পাশাপাশি আগের পরীক্ষা কমিটির সদস্যদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া এবং নতুন পরীক্ষা কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন।
সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন

