ভোটকেন্দ্র পরিবর্তন নিয়ে আপত্তি, তদন্তে নির্বাচন কর্মকর্তারা

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তিস্তা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত চিলখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট গ্রহণের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত হয়নি। বিদ্যালয়টি নদীর কাছাকাছি হওয়ায় সেখানে যাতায়াতেও সমস্যা রয়েছে। নতুন কেন্দ্রে রিকশা-ভ্যান চলাচলের সুবিধা না থাকায় অনেক ভোটারকে হেঁটে যেতে হতে পারে। এ ছাড়া কেন্দ্রটিতে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে প্রশাসনের পক্ষে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
এ অবস্থায় আগের ভোটকেন্দ্র বহাল রাখার দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন এলাকাবাসী।
কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্যানেল চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভোটকেন্দ্র পরিবর্তনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে আমাদের কাছে কোনো চিঠি আসেনি। বিষয়টি আমাদের জানানোও হয়নি।’
অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান বলেন, ‘আমরা দুটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি এবং দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরা আমাদের কাছে সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। আমরা যা দেখেছি, তা-ই প্রতিবেদনে লিখব। এখানে কোনো পক্ষপাতিত্ব করার সুযোগ নেই।’
রেজাউল করিম আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন থেকে ভোটকেন্দ্র পরিবর্তন নিয়ে পাওয়া অভিযোগের চিঠিটি তদন্তের জন্য আমাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। কমিশনের নির্দেশেই আমরা তদন্তে এসেছি। কেন্দ্রটি নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য শুনেছি, আমরাও সরেজমিনে দেখেছি। এখন তদন্ত প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনে পাঠাব। কমিশনই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।’
উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ হাজার ২৭০ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ১ হাজার ১৮১ জন এবং নারী ১ হাজার ৮৯ জন।

