রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
সিআইডির সাবেক প্রধানের গাড়ির ধাক্কায় রিকশাচালক গুরুতর আহতকেশবপুরে ধানখেতের আইলের পাশের ড্রেনে দুই নারী-পুরুষের মরদেহচীন বিতর্কে মরিনহোর সমর্থন পেলেন এমবাপ্পেস্পেনে লুটপাটের আশঙ্কায় শপিং মল-দোকানের কাচ ঢেকে দিলেন ব্যবসায়ীরালংমার্চ থেকে ফেরা বাসচাপায় পথচারী নিহত, খাদে পড়ে আহত অর্ধশতইতিহাদে ব্রাইটনের ইতিহাস, টানা দ্বিতীয় হার সিটিরদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসমাজের অবদান অনস্বীকার্য: প্রধানমন্ত্রীবনানীতে ক্লাব নটরডেমিয়ান্সের বিশেষ স্বাস্থ্য সেমিনারদাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরব না: জামায়াত আমিরজামায়াতের লংমার্চ থেকে ফেরার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, নিহত ১
বিজ্ঞাপন

ভারতে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৫ পিএম
ভারতে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়ার পথে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে গ্রেপ্তার হয়েছেন মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও গাংনী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ খালেক।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে মেডিকেল ভিসায় ভারতে যাওয়ার জন্য দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে গেলে তার পাসপোর্ট ও অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এ সময় তার বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার তথ্য পাওয়া যায় বলে ইমিগ্রেশন পুলিশ জানিয়েছে।

ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের এসআই তারিক জানান, কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় এম এ খালেকের বিষয়ে সন্দেহ হলে গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে মেহেরপুরের গাংনীতে খোঁজ নেওয়া হয়। পরে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকার তথ্য পাওয়া যায়।

এরপর মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সদস্যরা দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেন। পরে গাংনী থানার একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে মেহেরপুরের গাংনীর উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এম এ খালেকের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল গাংনী থানায় একটি মামলা করা হয়। মামলাটির নম্বর ১৫। বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ১৫(৩)/২৫ডি ধারায় করা ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

এম এ খালেক মেহেরপুরের গাংনী বাজারের থানা রোড এলাকার মোজাহার আলী বিশ্বাসের ছেলে। তিনি মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং গাংনী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান।

এদিকে এম এ খালেকের ছেলে আসিফ রেজা বলেন, তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ এবং হৃদ্‌যন্ত্রে ব্লক রয়েছে। বাইপাস সার্জারি করানোর জন্য তাকে ভারতে নেওয়া হচ্ছিল। তার দাবি, বাবার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোতে তিনি জামিনে রয়েছেন।

দর্শনা ইমিগ্রেশন পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য এম এ খালেককে মেহেরপুর জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...