দাবি না মানলে নতুন কর্মসূচি, জামায়াত আমিরের কড়া বার্তা

এর আগে ঢাকা থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে। মাওয়া হয়ে মাদারীপুর ও শরীয়তপুরের সীমান্তবর্তী নাওডোবা এলাকা অতিক্রম করে বহরটি ফরিদপুরের ভাঙার দিকে এগিয়ে যায়। পরে ভাঙ্গা গোলচত্বর অতিক্রম করে পৌরসভা এলাকায় সংক্ষিপ্ত পথসভায় অংশ নেন ডা. শফিকুর রহমান।
লংমার্চের বহর নিয়ে ডা. শফিকুর রহমান ভাঙ্গায় পৌঁছালে হাজারো নেতাকর্মী তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এ সময় নেতাকর্মীরা হাতে বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে স্লোগান দেন। সকাল থেকেই নারী-পুরুষসহ শতশত নেতাকর্মী বিশ্বরোড ও পৌরসভা এলাকায় সমবেত হতে থাকেন। তারা সড়কের দুই পাশে ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে লংমার্চকে স্বাগত জানান।
লংমার্চে জোটের কেন্দ্রীয় নেতারা জামায়াত আমিরের সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ভাঙ্গায় উপস্থিত থেকে বহরটিকে স্বাগত জানান ফরিদপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা বদরউদ্দিন, জেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি সালাউদ্দিন, জামায়াত নেতা রিপন সরকার, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সরোয়ার হোসাইন, পৌর জামায়াতের আমির ডা. মো. এনায়েত হোসেন, জামায়াত নেতা মফিজুল ইসলাম মাসুদ, মো. হাফিজুল ইসলামসহ সদরপুর ও চরভদ্রাসন উপজেলার বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।
যাত্রাবিরতিকালীন সমাবেশে জামায়াত ও এর সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারাও বক্তব্য দেন। এ সময় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমানের তত্ত্বাবধানে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিল।

