পদ হারানো জামায়াত নেতার বাড়ি গুঁড়িয়ে দিলেন এলাকাবাসী

এদিকে, অভিযুক্ত তাইজুল ইসলাম এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কবিরাজি করে আসছিলেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর ইউনিয়ন পর্যায়ের দায়িত্বে ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ওই ইউনিয়নে জামায়াতের প্রচার-প্রচারণার দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
গত রোববার তাকে ঘিরে একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এর আগে, ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শিবচর উপজেলা শাখার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তাইজুল ইসলামকে নিলখী ইউনিয়ন শাখার সব ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে তার বিরুদ্ধে নৈতিকতাবিরোধী কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও জানানো হয়।
এদিকে, তাইজুল ইসলাম তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেছিলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে থাকা নারী তার স্ত্রী।
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, সকালে অভিযুক্ত তাইজুল ইসলামের শাস্তির দাবিতে এলাকার লোকজন একটা মানববন্ধন করে বলে জানতে পারি। পরে কিছু লোক ঘরবাড়িতে ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

