৭ ঘণ্টা পর সড়ক ছাড়লেন শ্রমিকরা, আগুন-ভাঙচুরের পর যানচলাচল স্বাভাবিক

এ সময় সড়কের মাঝখানে মোটরসাইকেল ও কাঠের জিনিসপত্রে আগুন জ্বালিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন তারা। একপর্যায়ে কোনাবাড়ী ফ্লাইওভারের নিচে থাকা পুলিশ বক্স ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি গাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেন শ্রমিকরা। ভাঙচুর করা হয় যমুনা ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি কারখানার গেট। মারধর করা হয় সংবাদকর্মীকেও। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়লে শ্রমিকরা সড়ক ছেড়ে চলে যায়, স্বাভাবিক হয় যান চলাচল।
শ্রমিকরা জানান, সবকিছুর দাম বেশি। একটি গ্যাসের বোতল কিনতে হয় দুই হাজার ৫০০ টাকায়। মজুরি বোর্ড গঠন করলেই হবে না, তাদের বেতন কত নির্ধারণ করা হয়েছে, তা ঘোষণা করতে হবে। সর্বনিম্ন মজুরি ৩০ হাজার টাকা করতে হবে। তারা দাবি করেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করেছেন। কারখানা ভাঙচুর ও আগুন দিয়েছে বহিরাগতরা। তারা আন্দোলনকারীদের মধ্যে ঢুকে পরিস্থিতি খারাপ করেছে।
গাজীপুর জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মাসুদুর রহমান রুবেল বলেন, আমরা সকাল থেকে মহাসড়কে ছিলাম। বিজিবি, এসআরবি, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করেছি। সর্বশেষ বিকেলে শ্রমিকরা মহাসড়ক ছেড়ে দেন। এরপর থেকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসেন বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলন গত কয়েক দিন ধরে চলছে। রোববারও তাদের আন্দোলন ছিল। এ কারণে ৩০ থেকে ৩৫টি কারখানা ছুটি দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, এসআরবি, জেলা, মহানগর ও শিল্প পুলিশ একযোগে কাজ করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

