‘মুক্তিযুদ্ধের পর রক্ষীবাহিনীকে আওয়ামী লীগ নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছিল’

এহ্সান মাহমুদ আরও বলেন, ‘আজ আলোচকেরা রক্ষীবাহিনীর কিছু লোমহর্ষক ঘটনা সামনে এনেছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসের সমস্ত ঘটনা নিয়ে আপনি দলিলপত্র, বই, পত্রপত্রিকাসহ ইতিহাসের নানা রকম কাজ পাবেন। কিন্তু বাহাত্তর থেকে পঁচাত্তরের সময়টা নিয়ে বাংলাদেশে খুব ভালো কাজ নেই।’
জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক বলেন, ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থান আমাদের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছে। ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়তে হলে পেছনে ফিরে তাকাতে হবে। স্বাধীনতা-সংগ্রামের মাধ্যমে এই দেশ পাওয়ার পর যেভাবে এক ব্যক্তির শাসন কায়েম করা হয়েছিল, যেভাবে রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র ছাড়া সব সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, তেমনি রক্ষীবাহিনী গঠন করে এই দেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড শুরু করা হয়েছিল। আমরা জুলাই জাদুঘরে এই আলোচনা জারি রাখতে চাই।’
‘গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা সেমিনার সিরিজ’-এর দ্বিতীয় পর্বে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, আইনজীবী, শিক্ষার্থী এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ। জাদুঘর জানিয়েছে, সেমিনার সিরিজটির পরের পর্বগুলো ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

