বাংলাদেশকে সাফ জেতাতে গোল দেবেন কে

এবার সাফে আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে চাই। তবে আবেগ দিয়ে হবে না, স্ট্রাইকারদের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। হামজা আছেন বলেই আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাব, এমন ভাবারও কারণ নেই। অন্য দেশগুলো অনেক এগিয়েছে। তবে আমি মনেপ্রাণে চাচ্ছি সাফ পুনরুদ্ধার হোক।
জাহিদ হাসান এমিলি
স্বাগতিক হিসেবে সাফ জিততে হলে গোল করতে হবে। ২০০৩ ও ২০১০ সালে আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। ২০০৩ সালের সাফে আমাদের দল আটটি গোল করেছিল। আলফাজ ভাই, কাঞ্চন ভাইরা গোল করেছিলেন। ২০১০ এসএ গেমসে সব মিলিয়ে আমরা ১৩টি গোল করেছিলাম—এনামুল হক, মিঠুন চৌধুরী, তৌহিদুল আলম সবুজ; আমরা সবাই স্ট্রাইকার হিসেবে গোল করেছিলাম।
সাফ জিততে হলে স্ট্রাইকারদের গোল করার বিকল্প নেই। আমাদের বর্তমান দলে যেহেতু স্বীকৃত স্ট্রাইকারের ঘাটতি আছে, তাই পেছন থেকে এসে কেউ গোল করতে পারলে, এমনকি সেন্টারব্যাক তপু বর্মনও যদি গোল করে অবদান রাখতে পারে, সেটিও দলের জন্য বড় পাওয়া হবে। তবে জিততে হলে গোল করতেই হবে। আর গোল করার জায়গাটিতেই আমাদের দলের বড় ঘাটতি রয়েছে। বাংলাদেশ দল কোনো না কোনোভাবে এই সমস্যার সমাধান করতে পারবে।
আমার মনে হয়, যারা গোল করতে পারে, তাদের সামনের দিকে সুযোগ দেওয়া উচিত। রোনান সুলিভানের না থাকাটাও বাংলাদেশের জন্য বড় ধাক্কা। এই টুর্নামেন্টে অনেক গোলের সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে দুই প্রান্ত থেকে প্রচুর ক্রস আসবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেগুলোকে গোলে পরিণত করবে কে?
শেখ মোরসালিন ও রাকিব হোসেন ভালো খেলোয়াড়, কিন্তু তারা কেউই স্বাভাবিক অর্থে স্বীকৃত স্ট্রাইকার নয়। ফলে এখনো দলে প্রকৃত স্ট্রাইকারের ঘাটতি আছে। একমাত্র মাহি খান আছে, তবে সে কতটা ম্যাচের চাপ সামলে দায়িত্ব পালন করতে পারবে, তা সময়ই বলে দেবে।

