‘যাও আইসক্রিম বেচো’—‘রামায়ণ’-এর গান নিয়ে সমালোচনার জবাবে এ আর রহমান

‘আমি নিজেই আমার কাজের সবচেয়ে বড় সমালোচক। এমন নয় যে আমি যা তৈরি করি তার সবই অন্ধভাবে পছন্দ করি। আমরা একদিনে কোনো সিদ্ধান্ত নিই না। একটি সুরের পেছনে মাসের পর মাস সময় দিতে হয়’, বলেন এ আর রহমান।
আচারের উদাহরণ টেনে তিনি আরও যোগ করেন, ‘কিছু সুর বা গানের ধরন আচারের মতো—যত পুরোনো হয়, তার স্বাদ তত খোলে। মানুষের বোঝা উচিত যে এই সুরের পেছনে একটি নৃতাত্ত্বিক চিন্তাভাবনাও থাকতে পারে।’
এ আর রহমান মনে করেন, অনেক সময় শ্রোতারা একটি কাজের পুরো চিত্র না দেখে কেবল একটি বিশেষ অংশ ধরে সমালোচনা করেন। একটু ধৈর্য ধরলে তাঁরা বুঝতে পারবেন কেন নির্দিষ্ট সুর বা বাদ্যযন্ত্র বেছে নেওয়া হয়েছে।
সাক্ষাৎকারে ‘রামায়ণ’-এর ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোরে অস্কারজয়ী বিশ্বখ্যাত সুরকার হ্যান্স জিমারের সঙ্গে নিজের যৌথ কাজের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন এ আর রহমান।
তিনি বলেন, ‘এই চলচ্চিত্রে হ্যান্স জিমারের যুক্ত থাকা আন্তর্জাতিক দর্শকদের মধ্যে এক বিশাল কৌতূহল তৈরি করবে। এটি চলচ্চিত্রটিকে বিশ্বমঞ্চে নতুন একদল দর্শকের কাছে পৌঁছে দেবে।’

