নেতানিয়াহুর বিকল্প ভাবছেন না ট্রাম্প, কৃতজ্ঞতা জানালেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপরই নিজের পূর্ণ আস্থা বজায় রাখছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নেতানিয়াহু ছাড়া দেশটির অন্য কোনো নেতার সঙ্গে কাজ করতে পারবেন কি না—চুয়াডাঙ্গা ডট নেটের এমন প্রশ্নের জবাবে বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘হতেও পারি, নাও পারি। কে ঝুঁকি নিতে চায়?’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতানিয়াহুর পক্ষে শক্ত অবস্থান তুলে ধরার পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন ট্রাম্প। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলে ইরানের হামলা চালানোটা ছিল কেবল সময়ের অপেক্ষা।
চলমান সংঘাতের পরিস্থিতি তুলে ধরে ট্রাম্প লিখেছেন, এই যুদ্ধ ইতিমধ্যেই ইরানকে ‘সামরিক ও আর্থিকভাবে পদ্ধতিগতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। তারা দ্রুত তাদের পথ পরিবর্তন না করলে আমরা শিগগিরই কাজটি শেষ করে দেব।’
ইসরায়েলের নেতৃত্বে নেতানিয়াহুর গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ইসরায়েলের ভুল নেতা থাকলে, যিনি বিবি ছাড়া অন্য কেউ হবেন, তাহলে আমেরিকাকে এই কাজ নিজেদেরই করতে হবে। আর আমি তা করতে আগ্রহী নই।’
ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নেতানিয়াহুকে তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়তে হলেও তার পক্ষে সাফাই গেয়ে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, তুমুল বিরোধিতার মধ্যেও, এমনকি খোদ ইসরায়েল থেকে আসা বিরোধিতার মুখেও ‘বিবি নেতানিয়াহু শক্তিশালী, সাহসী ও মেধাবী ছিলেন।’
ট্রাম্পের এই অকুণ্ঠ সমর্থনের পর একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নেতানিয়াহু। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আমার বন্ধু, আপনার এই অসাধারণ সমর্থনে আমি অত্যন্ত সম্মানিত ও অভিভূত। এ জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। হোয়াইট হাউসে ইসরায়েল এর আগে কখনও এত বড় বন্ধু পায়নি। এ কথা বললে কমই বলা হবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের উদ্দেশে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি মার্কিন জনগণকে বলতে চাই, আপনারা যদি আজকের গ্যাসের দাম নিয়ে চিন্তিত হন, তবে ভেবে দেখুন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করলে কী হবে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ও আমি কখনোই তা হতে দেব না। যখন ওই শাসনের হুমকি দূর হয়ে যাবে, তখন গ্যাসের দাম কমে যাবে, এবং তা ব্যাপকভাবেই কমবে। তবে সেটা কেবল ট্রাম্পের আমলেই ঘটবে। যারা এই স্বৈরশাসকদের সঙ্গে আপস ও তোষণ করতে চায়, তাদের আমলে তা ঘটবে না।’

