যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ না করার শর্তে মুক্তি পেলেন সিজেপির দুই নেতা

দিল্লির যন্তর মন্তরে নতুন করে কোনো আন্দোলনের কর্মসূচি না দেওয়ার শর্তে মুক্তি পেয়েছেন সিজেপির দুই নেতা সৌরভ দাস ও রাঙ্কা। আইনিভাবে ওই চত্বরকে পুনরায় বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত স্থান হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা সেখানে কোনো সমাবেশের ডাক দিতে পারবেন না বলে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালত থেকে বেরিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সৌরভ দাস বলেন, ‘সত্যের জয় হয়েছে।’ অভিজিৎ দীপকের প্রতিষ্ঠিত দলটির দুই শীর্ষ নেতার এমন এক সময়ে মুক্তি মিলল, যখন যন্তর মন্তরকে আন্দোলনের তালিকাভুক্ত স্থান থেকে বাদ দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক চলছে।
আদালতের পর্যবেক্ষণ
শুনানি চলাকালে আদালত এই দুই নেতার বয়স জানতে চান। তাঁদের বয়স যথাক্রমে ২৭ ও ৩১ বছর জানানো হলে বিচারকেরা মন্তব্য করেন, তাঁরা কেউই ‘জেন-জি’ প্রজন্মের নন। অথচ তাঁদের ডাকা বিভিন্ন কর্মসূচিতে এই প্রজন্মের তরুণদেরই সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকতে দেখা যায়। এমনকি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রীর পদে রদবদল ঘটিয়ে দেওয়া গত জুন-জুলাইয়ের আন্দোলনেও এই তরুণেরাই অগ্রভাগে ছিলেন।
শুনানিতে বেঞ্চ আরও বলেন, দেশের বাইরেও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ থেকে অগ্নিসংযোগ ও বিভিন্ন স্থাপনায় সহিংসতার মতো ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে। তবে আদালত নির্দিষ্ট করে কোনো দেশের নাম উল্লেখ করেননি।
কমিশনারের পদত্যাগের দাবি
অন্যদিকে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এখন সরব রয়েছে সিজেপি। দলটির অভিযোগ, তিনি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়ম হয়েছে। একই ইস্যুতে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলগুলোও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযোগ তুলে আসছে।

