নেতানিয়াহুর প্রতিদ্বন্দ্বী আইজেনকটের জয় যেভাবে ইরান যুদ্ধের গতিপথ বদলাতে পারে

অন্যদিকে, নেতানিয়াহু এখনো অনড় যে ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনই ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র সমাধান। নিজের অবস্থান বোঝাতে ভোট গ্রহণের এক দিন আগে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি একটি ছবি প্রকাশ করেন। ছবিটিতে দেখা যায়, একটি পারমাণবিক বোমা তেল আবিবকে ধ্বংস করছে।
সম্প্রতি সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগেই ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পক্ষে চাপ দিয়েছিলেন নেতানিয়াহু। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনা করায় ওয়াশিংটন তাঁর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। ইসরায়েলের একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমটিকে বলেছে, ‘নেতানিয়াহু সত্যিই নির্বাচনের আগে ইরানে যৌথ হামলার জন্য ট্রাম্পকে রাজি করাতে চেয়েছিলেন এবং চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ট্রাম্প সবুজ সংকেত দেননি।’
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এই প্রতিবেদনকে ‘ভুয়া খবর’ বলে অভিহিত করেছে। তবে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ পুনরায় শুরু করার চেষ্টা চালানোর অভিযোগ এটাই প্রথম নয়। আইজেনকটর নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের সঙ্গে কঠিন নির্বাচনী লড়াইয়ের মুখে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার আশায় তিনি এমন চেষ্টা করছেন বলে আগেও অভিযোগ উঠেছে।

