‘রেজিম চেঞ্জ’ চেষ্টায় জড়িতদের সরকারি চাকরি দেবে না যোগী সরকার

সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হওয়া বা তদন্ত চলমান থাকার কারণে তাঁকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চাকরির অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে না। আদালতে খালাস পাওয়া ব্যক্তি, আপসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া মামলা এবং কিশোর বিচার আইনের আওতাভুক্ত বিষয়গুলোর ক্ষেত্রেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে অযোগ্যতা কার্যকর হবে না।
চরিত্র যাচাইয়ের প্রতিবেদন পেতে দেরি হলেও নিয়োগপত্র দেওয়া আটকে রাখতে হবে না। প্রার্থীর স্বঘোষণাপত্র ও নির্ধারিত নথিপত্র সংগ্রহের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অস্থায়ী নিয়োগপত্র দিতে পারবে। তবে যাচাইয়ে কোনো প্রার্থীকে অযোগ্য পাওয়া গেলে কিংবা তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন বলে প্রমাণিত হলে তাঁর নিয়োগ তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল করা হবে। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।
নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, বর্তমানে সরকারি চাকরিতে কর্মরত ব্যক্তিদের আবার চরিত্র যাচাই করতে হবে না। তবে প্রয়োজন হলে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ তাঁদের আগের কর্মস্থল বা দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে। সরকারের লক্ষ্য, চরিত্র যাচাইয়ের প্রক্রিয়া স্পষ্ট করা এবং প্রতিবেদন পেতে বিলম্বের কারণে যাতে নিয়োগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে আটকে না থাকে, তা নিশ্চিত করা।

