রোদঝলমল রাস্তায় নেমে এলেন বাসিন্দারা—ইউক্রেনের খেরসনে বিরল স্বস্তি

নিরবচ্ছিন্ন হামলায় বহু বাসিন্দা শহরটি ত্যাগ করে অন্যত্র চলে গেছেন, বন্ধ হয়েছে অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া ভবন, জনশূন্য ফুটপাত এবং প্রধান সড়কের ওপর টাঙানো ড্রোন প্রতিরোধী জাল যুদ্ধের ভয়াবহতার সাক্ষ্য দিচ্ছে। তবে এখনো বাস চলাচল করছে, কিছু দোকান ও ক্যাফেও খোলা রয়েছে।
বুধবার বাসিন্দাদের কেউ কুকুর নিয়ে হাঁটতে বের হন, কেউ বেঞ্চে বসে কফি পান করেন। ইউক্রেনের মানবাধিকারবিষয়ক ন্যায়পাল দিমিত্রো লুবিনেৎস বলেন, নিয়মিত গোলাবর্ষণে বিপর্যস্ত খেরসন যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে।

কোসেনকো জানান, যুদ্ধবিরতির পর তাঁর কিয়স্কে ক্রেতার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৫০ জনে পৌঁছেছে।
তবে স্বস্তির পাশাপাশি নতুন করে হামলা শুরুর আশঙ্কাও রয়েছে। রুশ বাহিনীর ফেলে যাওয়া স্থলমাইন এখনো বিপদের কারণ। এ ছাড়া ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্রন্টলাইনের অন্য অংশগুলোতে লড়াই চলছে। পূর্বাঞ্চলীয় দোনেৎস্কের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা এলাকাগুলো দখলে নিতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে রাশিয়া। ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে রুশ বোমাবর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
রুশ দখলদারত্বের অভিজ্ঞতা থাকা ৫২ বছর বয়সী পৌরকর্মী ওলহা চিউপিকোভা বলেন, ‘রাশিয়া প্রমাণ করেছে, তাদের বিশ্বাস করা যায় না।’
চিউপিকোভা জানান, যে কোনো মুহূর্তে উসকানিমূলক কোনো ঘটনা ঘটে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা বাসিন্দাদের মনে এখনো রয়ে গেছে।

