মজুরি বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন করলেই শ্রমিকেরা হয়ে যান ‘তৃতীয় পক্ষ’

সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা বলেন, শ্রমিকেরা আন্দোলনে না নামলে মজুরি বৃদ্ধি বা মজুরি বোর্ড গঠনের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগ দেখা যায় না। অথচ ন্যায্য মজুরির দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে শ্রমিকদের গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে।
বক্তারা গ্রেপ্তার শ্রমিক নেতাদের মুক্তি এবং আন্দোলনে আহত শ্রমিকদের চিকিৎসার দায়িত্ব সরকারকে নেওয়ার দাবি জানান।
সমাবেশে জানানো হয়, গত ৩১ অক্টোবর রাতে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন বিএনএস সেন্টারের রেড কিচেনের সামনে থেকে রোজিনা আক্তার সুমিসহ চার শ্রমিক নেতাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তাঁদের চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর হওয়ায় তাঁরা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
সমাবেশে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. ইলিয়াস, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফরিদ উদ্দীন, দপ্তর সম্পাদক আমরিন হোসাইন এ্যানি, প্রচার সম্পাদক মো. তাহেরুল ইসলামসহ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বক্তব্য দেন।

