শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
বিজ্ঞাপন

কোনাবাড়ী থানার ওসি ইফতেখারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৯ পিএম
কোনাবাড়ী থানার ওসি ইফতেখারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

ভুক্তভোগী তরুণী অভিযোগে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ওসি ইফতেখার হোসেন তাঁর বন্ধু সোহেলের বাসায় আমাকে নিয়ে যেতেন এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক (ধর্ষণ) করতেন। ওসি ইফতেখারের এ অপরাধের সাথে সোহেল সরাসরি জড়িত। সে আমাকে নিয়মিত ওসির সাথে দেখা করানোর জন্য নিয়ে যেত এবং ওসির জন্য তার নিজের বাসাকে নিরাপদ আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করতে দিত। পরবর্তীতে বিয়ের জন্য চাপ দিলে, ওসি ইফতেখার আমাকে ৫ বছর অপেক্ষা করতে বলেন। পরে সর্বশেষ বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়।’

অভিযোগে ওই তরুণী বলেন, ‘এ ঘটনা জানার পর ওসি ইফতেখার হোসেনের বাবা আমাকে ফোন করে পরিবারের চরম আর্থিক অসচ্ছলতা নিয়ে কটূক্তি ও অপমান করেন। ওসির বাবার এই দুর্ব্যবহারের প্রতিবাদ করায়, ওসি ইফতেখার নিজে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, মানসিক নির্যাতন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। গত ১১ সেপ্টেম্বর ওসি ইফতেখার হোসেন ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাঁর বন্ধু সোহেল এবং তার কথিত এক আংকেলকে আমার বাসায় পাঠায়। এ সময় তারা আমাকে চরম ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক আমার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ওসির বিরুদ্ধে থাকা সমস্ত কল রেকর্ড ও মেসেজ ডিলিট করে দেয়।’

বর্তমানে ওসি ইফতেখার এবং তাঁর সহযোগী সোহেল ক্ষমতার অপব্যবহার করে যে কোনো সময় তাঁর ও পরিবারের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। এ ছাড়া মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দিতে পারেন বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী তরুণী।

ভুক্তভোগী তরুণী বলেন, ‘কমিশনার সাহেবের কাছে অভিযোগ দেওয়ার পর থেকে ওসি ইফতেখার হোসেন আমাকে ও আমার পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। বাসা থেকেও বের হতে পারছি না তাদের ভয়ে। আমি এর বিচার চাই।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত গাজীপুর মেট্রোপলিটনের কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইফতেখার হোসেন বলেন, এগুলো সব কথা মিথ্যা।

গাজীপুর মেট্রোপলিটনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. তাহেরুল হক চৌহান বলেন, ‘একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তে আছে। অভিযোগ পাওয়ার পর একজন অফিসার নিয়োগ করা আছে, সে তদন্ত করে রিপোর্ট দিলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...