৩১ অক্টোবরের লংমার্চ গণজোয়ারে রূপ দিতে হবে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

দেশের চলমান সংকট কাটিয়ে সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আন্দোলন আরও জোরদার করার তাগিদ দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল এবং সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার। একই সঙ্গে আগামী ৩১ অক্টোবর ১১ দলীয় ঐক্যের ব্যানারে ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ এবং খুলনার ফুলতলা বাসস্ট্যান্ড চত্বরে অনুষ্ঠেয় পথসভা সফল করতে দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (১৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ফুলতলা উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত লংমার্চ ও পথসভার প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, নিত্যপণ্যের অনিয়ন্ত্রিত মূল্যবৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে সাধারণ মানুষ আজ চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে। নানা সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত মানুষের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তাঁদের সংগ্রাম চলছে। জনগণের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এবং তাদের জীবনে স্বস্তি আনাই জামায়াতের রাজনীতির মূল লক্ষ্য।
৩১ অক্টোবরের কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি জানান, ঢাকা থেকে খুলনা ও কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চের অংশ হিসেবে খুলনার ফুলতলা বাসস্ট্যান্ড চত্বরে পথসভার ডাক দেওয়া হয়েছে। এটি কেবল কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নয়, বরং খেটে খাওয়া ও নিপীড়িত জনতার দাবি আদায়ের লড়াই। এ কারণে লংমার্চ ও পথসভাকে একটি বড় গণজোয়ারে রূপ দিতে হবে।
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ দিয়ে জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা বলেন, প্রতিটি পাড়া-মহল্লা, গ্রাম ও হাটবাজারে লংমার্চের বার্তা ছড়িয়ে দিতে হবে। দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষকে এই আন্দোলনে শামিল করতে হবে। তবে কোনো ধরনের উসকানি কিংবা বিশৃঙ্খলার ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না; সম্পূর্ণ সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে গণতান্ত্রিক উপায়ে এ কর্মসূচি সফল করতে হবে।
লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও খুলনা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুন্সী মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ এমপি। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা এমরান হুসাইন।

