সিরাজগঞ্জে আত্মসমর্পণ করলেন তিন জেলার ৬৫ চরমপন্থী


এসআরবির সদস্যদের আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আত্মসমর্পণকারীদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, অন্ধকার জগতে থাকা ব্যক্তিদের আলোর পথে ফিরিয়ে আনতে একটি প্রকল্প চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ ছাড়া ৫ আগস্টের পর লুট হওয়া অস্ত্রের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
আত্মসমর্পণ করতে আসা মো. মাজেদ আলী মুন্সী বলেন, অন্ধকারের পথ ছেড়ে আলোর পথে আসতে পেরে আজ খুব ভালো লাগছে।
আরেক আত্মসমর্পণকারী পাবনার বাবু মিয়া ওরফে আইনুল হোসেন বলেন, ভুল পথে চলতে গিয়ে অনেক কিছু হারিয়েছি। এভাবে জীবনের ১৫ বছর কেটে গেছে। আমার সঙ্গীরা প্রায়ই বলতেন, অনেক দিন ধরে বাড়িতে যাওয়া হয় না।
আলমগীর নামের আরেক আত্মসমর্পণকারী বলেন, একসময় বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াতাম। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র না পেয়ে অনেকেই দস্যুবৃত্তিতে জড়িয়ে পড়তেন।
উল্লেখ্য, একসময় সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি, ডাকাতি, ছিনতাই ও হত্যাকাণ্ডের মতো অপরাধের ঘটনা ঘটত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান ও আত্মসমর্পণের ফলে এসব এলাকায় চরমপন্থী তৎপরতা অনেকটাই কমে এসেছে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে চরমপন্থী সংগঠনের অনেক সদস্য আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন।

