মাদক কারবারের অভিযোগে বাড়িতে হামলা-লুটপাট, মামলার পর ফের হামলাচেষ্টা

উজ্জ্বলার বাবা দুলাল মিয়া মোবাইল ফোনে জানান, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিনি সাক্ষী ছিলেন। তাঁর বাবা মাহমুদ আলী মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকারদের হাতে শহীদ হন। তাঁর নিকটাত্মীয় প্রয়াত জমিলা খাতুনও বীরাঙ্গনা ছিলেন। ২০১৬ সালে পেরুয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা রজনী দাস আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
দুলাল মিয়ার অভিযোগ, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষী হওয়ায় তাঁদের পরিবারের ওপর আগে থেকেই একটি পক্ষের ক্ষোভ ছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে তাঁরা বেশি হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
দুলাল মিয়া জানান, তাঁর মেয়ে সেলিনা আক্তার উজ্জ্বলা ও মেয়ের জামাই হেলাল মিয়া বাড়িতে থাকেন। বাড়ির সামনে তাঁদের একটি দোকান রয়েছে। হামলাকারীরা ওই দোকান ও বাড়ির মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।
তবে মামলার আসামি উজানগাঁও গ্রামের মৃত গনি মিয়ার ছেলে মো. জালাল মিয়া হামলার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘এলাকার ছেলেপেলে এই হামলা-আক্রমণ করেছে। তাদের অবস্থান মাদকের বিরুদ্ধে। উজ্জ্বলা সপরিবারে মদ ও ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তারা এলাকার পরিবেশ নষ্ট করছে। সে হিসেবে হামলা-আক্রমণ হয়েছে।’

