মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
মাদক নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে: ব্যারিস্টার জিল্লুর রহমানডায়াবেটিসে আক্রান্ত ৪৫ শতাংশ মানুষ বিষণ্নতায় ভুগছেনথাইল্যান্ডের পর্যটন বাজার যেভাবে দখলে নিচ্ছে ভিয়েতনামসহ প্রতিবেশিরাসোনাগাজীতে মাদকসেবীদের অত্যাচারে ৪ মাস বাড়ীছাড়া ফারুকের পরিবারছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যায় সন্দেহভাজন ৭ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আবেদনমহম্মদপুরে আধিপত্যের বিরোধে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১০ বাড়িতে ভাঙচুর-লুটপাটসরকারের প্ল্যান শুধু দফায় দফায় সবকিছুর দাম বাড়ানো: মঞ্জু২০২৭ সালে সরকারি ছুটি মিলবে যত দিনসিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের ৪৬ হাজার যাত্রীর তথ্য ফাঁস!সাদিকুরের সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামের রোমাঞ্চকর জয়
বিজ্ঞাপন

অসুস্থ গরু জবাই, চার মণ মাংস মাটিতে পুঁতে নষ্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:০৪ পিএম
অসুস্থ গরু জবাই, চার মণ মাংস মাটিতে পুঁতে নষ্ট

পঞ্চগড় সদর উপজেলায় চিকিৎসাধীন ও অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগকৃত একটি অসুস্থ গরু জবাইয়ের পর প্রায় চার মণ মাংস মাটিতে পুঁতে নষ্ট করেছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ। ওষুধ প্রয়োগের নির্ধারিত প্রত্যাহারকাল (উইথড্রয়াল পিরিয়ড) শেষ না হওয়ায় এই মাংস মানুষের খাওয়ার উপযোগী ছিল না। জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

সোমবার (২ নভেম্বর) ভোরে উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের খালপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে গত ২৭ অক্টোবর থেকে গরুটি অসুস্থ ছিল এবং জেলা ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে সেটির চিকিৎসা চলছিল।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গরুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এর মালিক ও খামারি সোহেল ইসলাম সেটিকে জবাই করেন। বিষয়টি জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নূরুল ইসলাম ও ডা. মরিয়ম রহমানের নজরে এলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আব্দুর রহিমকে ঘটনাস্থলে পাঠান। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর অসুস্থ ও চিকিৎসাধীন পশুর এই মাংস মানুষের খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করে তা নষ্ট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরে এফএসপি হাবিবুর রহমান এবং হাফিজাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ রবিউল ইসলামের উপস্থিতিতে মাংসগুলো গভীর গর্তে পুঁতে ফেলা হয়।

গরুর মালিক সোহেল ইসলাম বলেন, গরুটি কয়েক দিন ধরে অসুস্থ ছিল এবং চিকিৎসাধীন ছিল। গত রাতে হঠাৎ অবস্থার অবনতি হলে নিজের খাওয়ার জন্য সেটিকে জবাই করি; বিক্রির কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।

স্থানীয় পশু চিকিৎসক ও এআই টেকনিশিয়ান তফিজুল ইসলাম জানান, গতকাল বিকালেও তিনি গরুটিকে স্যালাইন দিয়ে এসেছিলেন। আজ ভোরে গরুর মালিক তাকে ফোন করলেও জবাইয়ের বিষয়ে কোনো পরামর্শ নেননি।

স্থানীয় মাংস বিক্রেতা আব্দুল মালেক বলেন, সকাল ৬টার দিকে আমাকে ফোন করা হয়েছিল। তবে অসুস্থ গরু হওয়ায় আমি তা কিনতে রাজি হইনি। পরে শুনি মালিক নিজেই গরুটি জবাই করেছেন। এরপর আমার লোকজন গিয়ে গরুটির চামড়া ছাড়িয়ে দেন।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...