জমি দখলে নিতে বিধবার খেতের ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ

এ বিরোধের জেরে গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ও ১৪৫ ধারায় ৩৫২/২০২৬ নম্বর পিটিশন মামলা করেন লাভলী বেগম। একই জমি নিয়ে দেওয়ানি আদালতেও ৪৪৩/২০২৬ নম্বরে আরেকটি মামলা চলমান রয়েছে।
এদিকে, জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনায় গত ২৪ আগস্ট গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত একটি আদেশ দেন। আদেশে সুন্দরগঞ্জ থানার ওসিকে নালিশি জমিতে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) জমির দখলসংক্রান্ত সুস্পষ্ট প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। পাশাপাশি উভয় পক্ষকে আদালতে হাজির হয়ে জমির নিজ নিজ দখলের পক্ষে তথ্য-প্রমাণসহ লিখিত বক্তব্য দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।
লাভলী বেগমের অভিযোগ, এসব মামলা চলমান অবস্থায় গতকাল সোমবার সকালে আবদুল বারী ও আবুল কালাম ভাড়াটে লোকজন নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে তাঁর জমিতে যান। পরে জমিতে আবাদ করা পাকা আমন ধান কেটে নিয়ে যান তাঁরা। এতে তাঁর প্রায় ১৫ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। ধান কাটতে বাধা দিলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা লাঠি ও কাস্তে উঁচিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তাঁকে ধাওয়া করেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন এগিয়ে এসে তাঁকে রক্ষা করেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আবদুল বারী বলেন, ‘বিরোধপূর্ণ জমিটি আমার পৈতৃক সম্পত্তি। ধান পেকে যাওয়ায় আমরা কেটেছি। লাভলী বেগম আমাদের বিরুদ্ধে বারবার মামলা করে হয়রানি করছেন। বরং তিনিই আমাদের জমি দখলের চেষ্টা করছেন।’
ওসি মো. সেলিম রেজা বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

