বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
বিজ্ঞাপন

মৃত্যুর মুখ থেকে জীবন ফিরিয়ে আনার গল্প: হাওরপারের জাইতুনের পুনর্জন্ম

নিজস্ব প্রতিবেদক০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম
মৃত্যুর মুখ থেকে জীবন ফিরিয়ে আনার গল্প: হাওরপারের জাইতুনের পুনর্জন্ম

বহুবিভাগীয় চিকিৎসকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা

রোগীর অবস্থা বেগতিক দেখে মেডিসিন, আইসিইউ এবং অ্যানেসথেসিয়া বিভাগ অবিলম্বে সমন্বিত পদক্ষেপ নেয়। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনেকেই জাইতুনকে আপনজন ভেবে তার পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়ান। ত্রাতা হিসেবে এগিয়ে আসেন ক্রিটিক্যাল কেয়ার স্পেশালিস্ট ডা. অনুপম কুমার দাস। মুমূর্ষু রোগীকে তাৎক্ষণিকভাবে আইসিইউতে স্থানান্তর করে শুরু করা হয় বাইপ্যাপ ভেন্টিলেশন।

চিকিৎসার সেই ২৪ ঘণ্টা কয়েকজন ইন্টার্ন চিকিৎসক রোগীর পাশে ছিলেন অতন্দ্র প্রহরীর মতো। তখনও কোনো চূড়ান্ত রোগনির্ণয় হয়নি। তবে চিকিৎসকরা নিশ্চিত ছিলেন যে রোগীর হার্ট, কিডনি ও ফুসফুস একসঙ্গে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। শুধু সচল ছিল তার মস্তিষ্ক আর বেঁচে থাকার তীব্র আকাক্ষা।

সফল সিজারিয়ান ও আইসিইউর কড়া পাহারা

অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো সাড়া দিতে শুরু করায় শিশুটিকে পৃথিবীতে এনে মা-বাচ্চা উভয়কে বাঁচানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আইসিইউ ইনচার্জসহ চিকিৎসক ও নার্সদের তত্ত্বাবধানে জাইতুনকে নেওয়া হয় অপারেশন থিয়েটারে (ওটি)।

গত ২৭ অক্টোবর গাইনি বিভাগের প্রধান ডা. জাহিরুন নেছা রেনু ও অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের প্রধান ডা. সোহেলের উপস্থিতিতে শুরু হয় অস্ত্রোপচার। সঙ্গে ছিলেন সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহানাজ বেগম, সহকারী অধ্যাপক ডা. আয়েশা সিদ্দিকা ও ডা. শাহানা জামান পলি। স্বল্প সময়ের এই সিজারিয়ানের মাধ্যমে ১.৮ কেজি ওজনের একটি প্রিম্যাচিউর নবজাতক পৃথিবীতে আসে। নবজাতককে শিশু বিভাগে এবং মাকে আইসিইউতে পাঠানোর পর চিকিৎসকদের বুক থেকে নামে এক বিশাল পাথর।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...