দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাত: শঙ্কামুক্ত জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ছেলে

এ ঘটনায় আহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। কটিয়াদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে।
এদিকে ছেলের ওপর হামলার ঘটনায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন আখতারুজ্জামান। বুধবার রাত ১১টার দিকে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লাইভে এসে তিনি এ অভিযোগ করেন।
লাইভে আখতারুজ্জামান বলেন, ‘অত্যন্ত দুঃখ ও বেদনাচিত্তে জানাচ্ছি, এখন আমাদেরকে রাজনৈতিকভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে। সম্প্রতি আমি কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হয়েছি। আমার ছেলে গ্রামের বাড়িতে ব্যবসা করে, তার খামার রয়েছে। সেখানে সহশ্রাম ধূলদিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও যুবদলের নেতারা সম্মিলিতভাবে তার ওপর হামলা করেছেন।’
তিনি জানান, ঘটনার পর কটিয়াদী থানার ওসি, পুলিশ সুপার, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বিএনপির সভাপতিকে বিষয়টি জানিয়েছেন। হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় স্থানীয়ভাবে সবাই জানেন এবং তাঁদের নাম পুলিশের কাছেও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সহশ্রাম ধূলদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতির নেতৃত্বে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করেন আখতারুজ্জামান।
তিনি আরও দাবি করেন, হামলায় জড়িত ব্যক্তিরা এলাকায় চাঁদাবাজি, অত্যাচার ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। গচিহাটা রেলস্টেশন এলাকায় তারা গুন্ডামি ও মাস্তানি করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আখতারুজ্জামান বলেন, বিষয়টি জানার পর বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারাও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে তিনি বলেন, ‘এটা দলের ব্যাপার না। আজকে বিএনপির ভাবমূর্তি তারা খারাপ করছে। আমি আশা করি, বিএনপি দলীয়ভাবে তাদের আশ্রয় দেবে না, কোনো সুযোগ-সুবিধা দেবে না। আইনে যা হয়, তাই যেন হয়।’
স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বিএনপির সভাপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গেও কথা বলবেন। এ ঘটনায় অভিযোগ করা হয়েছে এবং প্রকাশ্যে অনেক সাক্ষী রয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

