শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
পদ্মা নদীতে ধরা পড়ল ১৪ কেজির বাগাড়, ১৫ হাজার টাকায় বিক্রিমানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গাইবে ৭ ব্যান্ডমুক্তির তালিকায় থাকা নির্বাচিত সিনেমা ও সিরিজস্থানীয়দের আপত্তির মুখে কেটি পেরির স্বপ্নের প্রজেক্টনিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক, ইরানে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরুর সিদ্ধান্ত শিগগিররান্না করা গরুর মাংস কিনতে কেন এত ভিড় দিনাজপুরেঠাকুরগাঁওয়ের হাসপাতাল: শয্যা নেই, গাছতলায় দেওয়া হচ্ছে শিশুদের চিকিৎসাচট্টগ্রাম কাস্টম হাউস আইসিডি: ২০% কর্মীতে চলছে আইসিডিশ্রমিকের মজুরি এক টাকা বাড়াতে হলেও আন্দোলন ছাড়া সম্ভব হয় নাঅবকাঠামো সংকটে ভোমরা বন্দর, পণ্য খালাসে ভোগান্তি
বিজ্ঞাপন

নিজেও হয়েছেন স্বাবলম্বী, কর্মসংস্থান ব্যবস্থা করেছেন অনেকের

নিজস্ব প্রতিবেদক০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪০ এএম
নিজেও হয়েছেন স্বাবলম্বী, কর্মসংস্থান ব্যবস্থা করেছেন অনেকের

‘আমি প্রায় ৩ বছর ধরে এই পাপোশ কারখানায় কাজ করছি। মাসে ভালো টাকা ইনকাম করি। পাপোশ তৈরি করে যা টাকা পাই সংসারের খরচ চলে, বাচ্চার পড়াশোনার খরচ চলে, নিজের জন্য কাপড় চোপড় কিনি, অবশিষ্ট টাকা স্বামীর হাতে তুলে দেই এখন আর সংসারে অভাব নাই আমার। বেশ ভালো আছি পরিবার নিয়ে’ কথাগুলো বলছিলেন পাপোশ কারখানার শ্রমিক নাজমা বেগম। শুধু নাজমা বেগমই নয়, এই কারখানায় কাজ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন প্রায় দেড় শতাধিক নারী। খণ্ডকালীন কাজ করে প্রায় ৫০ জন।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বরুনাগাঁও গ্রামে অবস্থিত এই পাপোশ কারখানাটির। সকাল হলেই শুরু হয় খুটখাট শব্দ আর চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। সরেজমিনে দেখা যায়, কর্মব্যস্ত সময় পার করছেন নারীরা। এখানে কেউ পাপোশ তৈরি করছেন, কেউবা আবার তৈরি করছেন রশি, কেউ ব্যস্ত রঙ আর ফিনিশিংয়ের কাজে।

জানা যায়, চাকরির সন্ধানে না ছুটে নতুন উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ২০১৯ সালে ছোট্ট পরিসরে পাপোশ তৈরি করা শুরু করেন ঠাকুরগাঁওয়ের হুমায়ুন কবির। পাপোশ তৈরির কারখানা প্রথমদিকে অনেক ঝড় বইয়ে যায়। এছাড়াও করোনার সময় ব্যবসাটিও প্রায় থমকে গিয়েছিল, তখনো তিনি স্বপ্ন দেখা থামাননি। নিজ জেলার একটি বেসরকারি সংস্থা সহায়তার জন্য এগিয়ে আসে। ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেন হুমায়ুন কবির। এখন তিনি পাপোশ তৈরি করে মাসে আয় করছেন লাখ লাখ টাকা । শুধু তাই নয়, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন দুই শতাধিক নারীর। চেষ্টার মাধ্যমে উদ্যোক্তা হওয়া যায়, তার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।

কারখানার শ্রমিক বিলকিস আক্তার বলেন, আমি পড়াশোনা করিনি, ছোট থাকতে বিয়ে দিছে বাবা-মা। আমার স্বামী রিকশাচালক। যা ইনকাম করে কোনো মতো সংসার চলতো আমাদের। আমি ৩ মাস এই কারখানায় কাজ শিখছি। এখন ২ বছর ধরে এই কারখানায় কাজ করছি। বেতন পাই বেশ ভালো। অভাবের সংসারে আমার ইনকাম দিয়ে এখন অভাব নেই বললে চলে। ২ ছেলেকে পড়াশোনা করাচ্ছি আমার টাকা দিয়ে। সংসারে সহযোগিতা করতে পারছি। এখন ভালোই আছি।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...