সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগে, বিষণ্নতায় ভুগছেন—জেনে নিন যে ভিটামিনের অভাবে হতে পারে এসব সমস্যা

ভিটামিন ডি পাওয়ার উপায়
ভিটামিন ডি তিনটি প্রধান উপায়ে পাওয়া যায়—
১. সূর্যের আলো (প্রধান উৎস):সূর্যের আলো ত্বকে সরাসরি লাগলে শরীর স্বাভাবিকভাবেই ভিটামিন ডি তৈরি করে।
২. খাবার:প্রাকৃতিকভাবে এবং ফর্টিফায়েড (অতিরিক্ত ভিটামিন যুক্ত করা) খাবারের মাধ্যমে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।
৩. সাপ্লিমেন্ট: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করে শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি দ্রুত পূরণ করা যায়।
ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার কী কী
একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক চাহিদার সিংহ ভাগ ভিটামিন ডি-ই পাওয়া যায় সূর্যের আলো থেকে। এ ছাড়া কিছু খাবার থেকেও ভিটামিন ডি পাওয়া যায়—
- স্যামন, সার্ডিন, হেরিং ও ক্যানজাত টুনা মাছ
- কড লিভার অয়েল ও গরুর কলিজা
- ডিমের কুসুম
- সাধারণ মাশরুম এবং অতিবেগুনি রশ্মিতে প্রক্রিয়াজাত মাশরুম
- ফর্টিফায়েড দুধ, দই, ওটস/সিরিয়াল এবং কমলার জুস
ভিটামিন ডি-এর উপকারিতা
ভিটামিন ডি-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো শরীরে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণ নিয়ন্ত্রণ করা, যা হাড় ও দাঁতের স্বাভাবিক গঠন ও মজবুত রাখার জন্য অপরিহার্য। এর অন্যান্য মূল উপকারিতাগুলো হলো—
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: এই ভিটামিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, টাইপ-১ ডায়াবেটিস এবং অন্ত্রের প্রদাহের মতো অটোইমিউন রোগের ঝুঁকি কমায়।
গুরুতর রোগ থেকে সুরক্ষা:গবেষণায় দেখা গেছে, পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস এবং হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া ফ্লু ও শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতা কমায়।
মানসিক স্বাস্থ্য ও মেজাজ নিয়ন্ত্রণ:ভিটামিন ডি মেজাজ ঠিক রাখতে এবং বিষণ্নতা বা দুশ্চিন্তা কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা:পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি ক্ষুধামন্দা তৈরি করে পরোক্ষভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করে।
তথ্যসূত্র:হেল্থলাইন

