সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
বিজ্ঞাপন

মেঘের সমুদ্র আর ডাইনোসরের পিঠ: পর্যটকদের নজর কাড়ছে ভিয়েতনামের তা শুয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০১ পিএম
মেঘের সমুদ্র আর ডাইনোসরের পিঠ: পর্যটকদের নজর কাড়ছে ভিয়েতনামের তা শুয়া

প্রকৃতির অদ্ভুত মায়াবী রূপ আর রোমাঞ্চের খোঁজে এশিয়ার পর্যটকদের কাছে নতুন গন্তব্য হয়ে উঠেছে ভিয়েতনামের ‘তা শুয়া’। দেশটির রাজধানী হ্যানয় থেকে প্রায় ২৪০ কিলোমিটার দূরের এই পাহাড়ি জনপদে পৌঁছানোর পথটি বেশ দুর্গম ও সময়সাপেক্ষ। তবে দীর্ঘ আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ পেরিয়ে একবার সেখানে পৌঁছাতে পারলে যাত্রাপথের সব ক্লান্তি নিমেষেই মিলিয়ে যায়।

মেঘের খোঁজে ভোরবেলা

বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ—এই সময়টায় তা শুয়া রূপ নেয় তুলতুলে নরম মেঘের এক বিশাল সমুদ্রে। ঠিক এ কারণেই দেশ-বিদেশের পর্যটকেরা দল বেঁধে সেখানে ছোটেন মেঘের রূপ দেখতে, যাকে বলা হয় ‘ক্লাউড হান্টিং’। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে চারপাশের মেঘমালার ওপর সূর্যের সোনালি আভা ছড়িয়ে পড়ে এক চোখজুড়ানো দৃশ্য তৈরি করে।

ডাইনোসরস ব্যাকবোন ও দিন জিউর রোমাঞ্চ

মেঘের পাশাপাশি অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের জন্যও তা শুয়ায় রয়েছে দারুণ অভিজ্ঞতা। এখানকার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ‘ডাইনোসরস ব্যাকবোন’। ডাইনোসরের পিঠের মতো দেখতে সরু ও খাড়া এই পাহাড়ি পথের দুই পাশে রয়েছে কয়েক শ মিটার গভীর খাদ, যা দেখলে রোমাঞ্চপ্রিয়দের বুক কেঁপে ওঠে।

যাঁরা শেষ বিকেলের শান্ত পরিবেশ ও সূর্যাস্ত দেখতে পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য আদর্শ জায়গা তিন কিলোমিটার দূরের উইন্ডি পিক বা ‘দিন জিউ’। পাহাড়ের এই চূড়ায় দাঁড়িয়ে রক্তিম আলোয় মেঘের রূপ পরিবর্তনের দৃশ্য মন ভরিয়ে দেয়।

তবে ভ্রমণের ক্ষেত্রে স্থানীয় আবহাওয়ার বিষয়টি খেয়াল রাখা জরুরি। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে এই অঞ্চলে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের ঝুঁকি তৈরি হয়। ফলে নিরাপদে পাহাড়ে ট্র্যাকিং করার জন্য সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ মাসই সবচেয়ে ভালো সময়।

লাইফস্টাইল থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...