বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
কর্মক্ষেত্রে কমনসেন্স ধরে রাখবেন যেভাবেজ্বালানি অনুসন্ধানে ব্রুনাইকে বিনিয়োগের আহ্বান বাংলাদেশেরসুনামগঞ্জে মাইকিং করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, অর্ধশতাধিক আহতমেঘনা গ্রুপে ১১ পদে বড় নিয়োগপোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বরেযুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে দল হারলে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা কতটা সীমিত হয়ফেসবুকে রাজনৈতিক বক্তব্যের অভিযোগ: আলমডাঙ্গায় সাবেক যুবলীগ নেতা স্বপন গ্রেপ্তারচেয়ারম্যানকে ব্ল্যাকমেইল করে চাঁদা দাবির অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধেতাহসিফ হত্যা মামলা: সেই তরুণীকে আবার রিমান্ডে নিতে আবেদনআত্মসমর্পণ করা চরমপন্থীদের তথ্যে মিলল ১০৩ আগ্নেয়াস্ত্র
বিজ্ঞাপন

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা কামনা প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১৪ পিএম
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা কামনা প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং। ছবি: পিএমও
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং। ছবি: পিএমও

লিউ হাইশিং বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফরের সময় দুই দেশের ভবিষ্যৎ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন যুগের যৌথ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ওই ঘোষণার আলোকে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতি চীনের অঙ্গীকার অপরিবর্তিত রয়েছে। ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের সম্ভাবনার প্রতিও আস্থা প্রকাশ করেন তিনি।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়। দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের জনগণের হৃদয়ে এ সম্পর্কের বিশেষ স্থান রয়েছে। ঐতিহাসিক এ সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা এগিয়ে নেওয়া তাঁদের দায়িত্ব। নতুন প্রজন্মের হাত ধরে দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার ঐতিহ্য আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চীন সফরের পর বাংলাদেশে খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে এ কর্মসূচি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং দেশের কৃষির উন্নয়নে অবদান রাখে।

বর্তমান সরকারও ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, এ উদ্যোগ কৃষক ও সাধারণ মানুষের উপকারে আসবে। একই সঙ্গে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৈঠকে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি ও বিএনপির মধ্যে দলীয় পর্যায়ে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। লিউ হাইশিং বলেন, দুই দলের সম্পর্ক আরও বিস্তৃত ও বহুমাত্রিক করার বিষয়ে চীন আগ্রহী। এ সময় বিএনপির মহাসচিবের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান তিনি।

সাক্ষাতে বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডর নিয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি আঞ্চলিক ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির প্রতি চীনের সমর্থনের কথা জানান লিউ হাইশিং।

সাক্ষাৎকালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

লিউ হাইশিংয়ের সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউয়িন, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক পেং শিউবিনসহ অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন লিউ হাইশিং। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাঁদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি।

এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী চীনা প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান। তিনি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং কূটনৈতিক সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন। এ সময় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন ও অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ এবং ঢাকায় চীনা দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...