ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা, আগাম সিল মারাসহ নানা অভিযোগ জামায়াতের

ভোটের আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে নয় দফা লিখিত অভিযোগ ও তিনটি দাবি পেশ করা হলেও কার্যকর প্রতিকার দৃশ্যমান হয়নি বলে জানান জামায়াত সেক্রেটারি। তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাইরুজ ইসলামের বিরুদ্ধে একটি নির্দিষ্ট দলের প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ উত্থাপন করা হলেও তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরানো হয়নি। বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের বাধা দেওয়া হয়েছে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে। একজন নারী ভোট দিতে গিয়ে জানতে পারেন, তাঁর ভোট আগেই দেওয়া হয়ে গেছে। এ ধরনের ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
হিন্দু সম্প্রদায় ও সরকারি চাকরিজীবী ভোটারদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করা হয়েছে উল্লেখ করে গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকারি চাকরিজীবী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে কাজ করলে চাকরিতে সমস্যার মুখে পড়তে পারেন—এমন ইঙ্গিত দিয়ে চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। দলের নেতা-কর্মীদের মারধর করা, নারী ভোটারদের বাধা দেওয়া এবং নির্বাচনী এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

