সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
বিজ্ঞাপন

প্রয়োজনে নীরবতা কেন জরুরি: জেনে নিন চুপ থাকার ৫টি ফজিলত ও উপকারিতা

নিজস্ব প্রতিবেদক২২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৪ পিএম
প্রয়োজনে নীরবতা কেন জরুরি: জেনে নিন চুপ থাকার ৫টি ফজিলত ও উপকারিতা

মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে কথাবার্তা বলা স্বাভাবিক বিষয় হলেও ইসলামে পরিমিতিবোধ ও প্রয়োজন ছাড়া চুপ থাকাকে অত্যন্ত প্রশংসনীয় গুণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। অনর্থক কথাবার্তা এড়িয়ে সংযত থাকলে ব্যক্তি নানা বিপদাপদ থেকে মুক্ত থাকে। ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গিতে নীরবতা পালনের বিশেষ পাঁচটি উপকারিতা রয়েছে।

গুনাহ থেকে সুরক্ষা

মানুষের বেশিরভাগ পাপের উৎপত্তি হয় জিহ্বার অসতর্ক ব্যবহারের কারণে। গিবত বা পরনিন্দা, মিথ্যাচার এবং গালিগালাজের মতো মারাত্মক সব গুনাহ মুখের কথার মাধ্যমেই হয়ে থাকে। ফলে প্রয়োজন ছাড়া চুপ থাকার অভ্যাস এসব পাপ থেকে বেঁচে থাকার পথ সহজ করে দেয়।

শয়তানকে দূরে রাখা

অপ্রয়োজনীয় কথা পরিহার করে নীরব থাকলে শয়তানের প্ররোচনা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এ প্রসঙ্গে সুনানে বায়হাকির এক হাদিসে এসেছে, মহানবী (সা.) সাহাবি হজরত আবু গিফারি (রা.)-কে নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘তুমি চুপ থাকো, কেননা নীরবতা শয়তানকে দূরীভূত করে।’

আত্মিক শক্তি বৃদ্ধি

চুপ থাকার মাধ্যমে অন্তরে বিশেষ এক ধরনের আত্মিক শক্তি ও নুর সৃষ্টি হয়। এই আত্মিক প্রশান্তি ও আলো মানুষের মনকে সতেজ রাখে এবং অন্যান্য ইবাদত-বন্দেগি মনোযোগ দিয়ে আদায় করতে বড় ধরনের সহায়তা জোগায়।

মর্যাদা বৃদ্ধি

অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকার ফজিলত অনেক বেশি। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, অনর্থক কথা বাদ দিয়ে চুপ থাকা বান্দার জন্য ৬০ বছরের নফল ইবাদতের চেয়েও উত্তম মর্যাদা বয়ে নিয়ে আসতে পারে।

বুদ্ধিমত্তার পরিচয়

ইসলামি স্কলারদের মতে, বুদ্ধিমান মানুষের অন্যতম প্রধান ভূষণ হলো তার নীরবতা। এ বিষয়ে একটি প্রচলিত জ্ঞানগর্ভ কথা রয়েছে—কথা বলা যদি রুপার মতো দামি হয়, তবে যথাস্থানে চুপ থাকাটা সোনার মতো মূল্যবান।

ধর্ম থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...