রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্তভরাডুবির পর বড় পরিবর্তনের পথে হাঁটছে অস্ট্রেলিয়ামেয়াদ শেষ হওয়ায় চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্তসব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জামায়াত আমিরেরকচাকাটা কলেজে চার পদে নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, অধ্যক্ষ-সভাপতির অপসারণ দাবিপুরো উপজেলায় যমজ দুই বোন পেলেন জিপিএ-৫রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার হাফিজরোগী নিয়ে হাসপাতালে ঢুকতেই দালালের ফাঁদ, ৪ জনকে কারাদণ্ডবিএনপি জাতির জন্য আপদ, এই আপদ সরাতে হবে: এ টি এম আজহারসাজেকে দ্বিতীয় দিনের মতো জেএসএস-ইউপিডিএফ গোলাগুলি
বিজ্ঞাপন

সমাজ পরিবর্তনে নবী (সা.)-এর ১০ উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৯ এএম
সমাজ পরিবর্তনে নবী (সা.)-এর ১০ উদ্যোগ

অশান্ত পৃথিবীতে শান্তির স্নিগ্ধ বাতাস বয়ে দেওয়ার জন্যই আগমন করেছিলেন আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তিনি শান্তির ফেরিওয়ালা হয়ে ছুটেছেন এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় তিনি আজীবন নিরন্তর সংগ্রাম ও সাধনা করে গেছেন। শৈশবে, দুরন্ত কৈশোরে, উদ্দীপ্ত তারুণ্যে এবং জীবনসায়াহ্নে—সর্বাবস্থায় তাঁর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল একটাই।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাআলা এ বিষয়ে ইরশাদ করেছেন, ‘আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্য কেবল রহমতরূপেই প্রেরণ করেছি।’ (সুরা আম্বিয়া: ১০৭)

জীবনের শুরু থেকেই তিনি ছিলেন শান্তিপ্রিয়, কোমল প্রাণ, নীতিমান, সৎ, বিশ্বস্ত এক মানব। কৈশোরেই তিনি ‘আল-আমিন’ (বিশ্বস্ত) ও ‘সাদিক’ (সত্যবাদী) উপাধিতে ভূষিত হন। সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং গোত্রীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য তরুণ বয়সেই তিনি ‘হিলফুল ফুজুল’ নামক শান্তিসংঘে যোগ দেন। পর নবুওয়াত লাভের পরও বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপের মাধ্যমে তিনি মরুর বুকে শান্তির এক সুশীতল পরিবেশ কায়েম করেন। নিচে তাঁর শান্তি প্রতিষ্ঠার উল্লেখযোগ্য ১০ দিক তুলে ধরা হলো—

ধর্ম থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...