লক্ষ্মীপুরে যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আটক ২

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খোরশেদ আলম বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হয়েছিল বলে তাঁর স্বজন ও স্থানীয়দের দাবি। ৫ আগস্টের পর জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি এলাকায় মাটির ব্যবসা শুরু করেন। এ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে মো. মোরশেদ আলম ও মজিদ হোসেনের গ্রুপের সঙ্গে তাঁর বিরোধ চলছিল।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বিরোধের জেরে বুধবার দুপুরে খোরশেদ আলমকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে দিলশাদপুর খাঁনের বাড়ির পাশে গুলি করা হয়। এতে তাঁর বুকে একাধিক গুলি লাগে। রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন

