কর্মকর্তাদের সামনেই কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে চড়া দামে সার বিক্রির অভিযোগ

সংশ্লিষ্ট ডিলার পয়েন্টের সার মনিটরিং ও সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করার দায়িত্বে নিয়োজিত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান মণ্ডল বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নে কৃষি কার্ডের কাজে ছিলাম। ঠিক সেই মুহূর্তে স্যার আমাকে ফোন করে ঘটনাস্থলে যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে একটি ভ্যানে ১০ বস্তা সার দেখতে পাই। তখন ডিলারকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, ওই সার দুজন কৃষকের।’
মজুত ও বিতরণ রেজিস্টারে কোনো গরমিল রয়েছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘গরমিলের বিষয়টি শুনেছি, তবে নিজে দেখিনি।’
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়গুলো আমি শুনেছি। সংশ্লিষ্ট ডিলারের কাছে মজুত ও বিক্রির স্টক রেজিস্টার চেয়েছি। সার বিতরণে কোনো গরমিল রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত জাহান তুলি বলেন, ‘অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। সারের মজুত, বিক্রি ও স্টক রেজিস্টারে গরমিলের বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত। বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

