মিথ্যা ঘোষণায় বন্দরে বাড়ছে আমদানি

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক ও চট্টগ্রাম কাস্টম অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য মো. ইসমাইল খান বলেন, মিথ্যা ঘোষণার পেছনে কখনো কখনো সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত থাকে। ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা ঘোষণা দেওয়া আমদানিকারকদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে এ-ও বলেন, অতিরিক্ত কড়াকড়ির কারণে যেন বৈধ ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, সাধারণত ভুল ট্যারিফ ক্ল্যাসিফিকেশন, পণ্যের পরিমাণ বা দাম কম দেখানো এবং কম শুল্কের পণ্যের আড়ালে অন্য পণ্য লুকিয়ে আনার মাধ্যমে এই মিথ্যা ঘোষণা দেওয়া হয়। সাম্প্রতিক সময়ে কাস্টমস বেশ কিছু সন্দেহজনক অনিয়ম চিহ্নিত করেছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে স্ক্র্যাপ ঘোষণা দিয়ে যন্ত্রপাতি ও বিলাসবহুল গাড়ি আমদানি, মডেলিং ক্লে ঘোষণায় প্রসাধনী আনা, অন্য পণ্যের আড়ালে মোবাইল ফোন লুকিয়ে আনা এবং ভুল ঘোষণায় কাপড় আমদানি।
একই বিষয়ে শরীফ আল আমিন বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে কাস্টমস বিভাগ তাদের নজরদারি ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করছে। বন্দরে এআইআর ছাড়াও শুল্ক গোয়েন্দা এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা ইউনিট মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি চালান ধরতে কাজ করছে।

