রাতে পিকআপ ভ্যানে বস্তাভর্তি মরা মুরগি এনে ফেলা হয় নদীতে

ডাকাতিয়া নদীর পাশের ফুলের নাওড়ী এলাকার বাসিন্দা মো. সাদেক, মো. মীর হোসেন ও মো. শহিদ এবং হুগলি দিঘির পাড়ের মো. আলমগীর, মো. জালাল, দোকানি মো. বাচ্চু ও মো. আবদুল মমিনসহ স্থানীয় বাসিন্দারা এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের বিষয়টি উপেক্ষা করে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা এভাবে নদীতে মরা মুরগি ফেলছেন। রাতের আঁধারে কারা এসব মুরগি নদীতে ফেলছে, তা শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
স্থানীয়দের দাবি, নদীতে ফেলা মরা মুরগি দ্রুত অপসারণ করতে হবে। পাশাপাশি নদীর পানির দূষণ পরিস্থিতি পরীক্ষা, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে নদীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নজরদারি বাড়ানোরও দাবি জানিয়েছেন তারা।
গুণবতী ইউনিয়নের ফুলের নাওড়ী গ্রামের বাসিন্দা এয়াকুব মজুমদার বলেন, গতকাল সকালে ডাকাতিয়া নদীতে বস্তাভর্তি মরা মুরগি দেখতে পাই। এভাবে নদীতে মরা মুরগি ফেলার কারণে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। ডাকাতিয়া নদীর দূষণ রোধে চৌদ্দগ্রাম ও নাঙ্গলকোট উপজেলা প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সুজন চন্দ্র রায় বলেন, ‘ডাকাতিয়া নদীতে মরা মুরগি ফেলার অভিযোগ শুনেছি। সরেজমিন পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কুমিল্লা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সালমান চৌধুরী এশিয়া পোস্টকে বলেন, নদীতে পরিবেশগত কোনো সমস্যা হয়ে থাকলে বিস্তারিত দেখে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেব।

