পরীক্ষায় বহিষ্কারের পর বিদ্যালয়ে বোমা বিস্ফোরণের অভিযোগ

তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত রিদু ও তাঁর পরিবারের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মোটরসাইকেলের মালিকানা ও ঘটনার বিষয়ে জানতে খাজা আহমেদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রশ্ন শুনে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে একাধিকবার চেষ্টা করেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, ‘বিস্ফোরণের সময় আমি নিজ কক্ষে ছিলাম। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা বলতে পারব না। পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন জমা দিতে বলা হয়েছিল। কয়েকজন জমা দেয়। পরে তানজিন রহমান রিদু নামের এক শিক্ষার্থী নকলের চেষ্টা করলে তাকে বহিষ্কার করা হয়। এর কয়েক মিনিট পরই বাইরে এ ঘটনা ঘটে।’
সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন

