পরকীয়ার জেরে যশোরে জোড়া খুন: পুলিশ

মামলার তদন্তে গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে গত সোমবার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে জেসমিন বেগমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্য ও তদন্তে মোস্তফা কামালের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি উঠে আসে।
পুলিশের কাছে দেওয়া জেসমিনের জবানবন্দির বরাত দিয়ে আরও জানানো হয়, জেসমিন বেগম ও নিহত মাজেদা খাতুন অভয়নগরের আকিজ জুট মিলে কাজ করতেন। মোস্তফা কামালের সঙ্গে জেসমিনের প্রায় চার-পাঁচ মাস ধরে পরকীয়া সম্পর্ক চলছিল। গত ৩০ অক্টোবর মিল বন্ধ থাকায় সকালে ঘাস কাটতে মাঠে যান জেসমিন ও মাজেদা।
মাঠে যাওয়ার পথে মোস্তফার সঙ্গে জেসমিনের দেখা হয়। এ সময় তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন মাজেদা। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার আশঙ্কায় মোস্তফা ও জেসমিন কলমিশাক তোলার কথা বলে মাজেদা ও তার স্বামী আলেক নুর ইসলামকে ঘেরের পাশে নিয়ে যান। তালতলার ভেড়ির কাছে পৌঁছালে মোস্তফা হাতে থাকা পাসুনি (বা দেশীয় অস্ত্র) দিয়ে আলেককে আঘাত করেন। এ সময় মাজেদার ওড়না দিয়ে তার গলায় ফাঁস দেওয়া হয়। পরে আলেককে মারধর করে পুরোনো সেলো মেশিনের গর্তে ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনার সময় মাজেদা তখনো শ্বাস নিচ্ছিলেন। তখন কাঁচি দিয়ে তার তলপেট ও পা কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করার পর তাকেও ওই গর্তে ফেলে দেওয়া হয়।

